সংবিধান সভার কার্যাবলী ( ১৭৮৯ -১৭৯১)

The Works of the National Constituent Assembly ( 1789 -1791 ) 

সংবিধান সভার ( ১৭৮৯ -১৭৯১ ) উৎপত্তি ( The Rise of the National Constituent Assembly .  )

রাজা ষোড়শ লুই এর শাসনামলে ফ্রান্সের অর্থনৈতিক অবস্থা এমন এক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছিল যে , সে অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য ১৭৫ বছর পর ১৭৮৯ সালের ৫ মে তিনি States General বা জাতীয় সভার অধিবেশন আহ্বান করেন । States General এর ১২১৪ সদস্যের মধ্যে যাজক শ্রেণীর সদস্য সংখ্যা ছিল ৩০৮ , অভিজাত ২৮৫ জন এবং তৃতীয় শ্রেণীর সদস্য সংখ্যা ৬২১ জন । এ অধিবেশনেকে কেন্দ্র করে ফ্রান্সে বিপ্লব দেখা দেয় । বিপ্লবের শুরুতে তৃতীয় সম্প্রদায়ের চাপের মুখে States General জাতীয় পরিষদে রূপান্তরিত হয় । তৃতীয় সম্প্রদায় সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হয়ে প্রাচীন যুগের যাজক ও সামন্তদের বিশেষ সুযোগ-সুবিধার অবসান ঘটিয়ে নতুন শাসনতন্ত্র রচনার করে রাজা ষোড়শ লুই কে তা মেনে নিতে বাধ্য করেন । সংবিধানের রাজার ক্ষমতা নামে মাত্র রেখে সকল ক্ষমতা সংবিধান সবার উপর ন্যস্ত করা হয় । গণপরিষদের সদস্য গনের মধ্যে বিরাবো , রোবসপিয়ার, লাফায়েত, আবে সিয়েস এর নাম উল্লেখযোগ্য । ১৭৮৯ সনের অক্টোবর থেকে ১৭৯১ সনের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাতীয় সংবিধান সভার অধিবেশন চলছিল । 

জাতীয় সংবিধান সভার কার্যাবলী ( The Works of the National Constituent Assembly  ) .

১) সামাজিক কার্যাবলী / সংস্কার : 

সামাজিক ক্ষেত্রে সংবিধান সভা যাজক, অভিজাত ও সামন্ত প্রভুদের বিশেষ সুযোগ-সুবিধা বাতিল করে । এর জন্য সংবিধান সভা Law of Abolishing Feudalism নামে একটি আইন পাস হয় । এ আইনে সামন্ত কোর্ট , ভূমিদাস প্রথা . কর্ভিপ্রথা , বর্গা প্রথা , ম্যানর প্রথা , সামন্ত কর ও  ধর্মকর বিলোপ সাধন করে । এক কথায় সংবিধান সভা Old Regime এর অবসান ঘটিয়ে বিপ্লবীদের চিন্তা-চেতনা অনুযায়ী( New Regime )  এর সূচনা করে ।  

2) প্রশাসনিক সংস্কার : 

ফ্রান্সের প্রশাসন ব্যবস্থা কে সম্পূর্ণ বিকেন্দ্রীকরণ করা হলো । সারাদেশকে ৮৩টি প্রদেশ এবং প্রদেশগুলোকে ৫৪৭টি জেলায় বিভক্ত করা হলো।  জেলা গুলো আবার Canton এবং Commune এ বিভক্ত করা হলো । প্রদেশ জেলা , Canton এবং Commune এর প্রতিটি স্তরে জনগণের ভোটে নির্বাচিত শাসনকর্তা নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয় । বিচার ব্যবস্থার ক্ষেত্রে Parliament of Parish, প্রদেশশিক ও সামন্ত বিচার সভাগুলো বিলোপ করা হয় । বিচার বিভাগের কাজ শাসন বিভাগ থেকে আলাদা করা হয় । বিচারকদের স্বাধীনভাবে বিচার করার ক্ষমতা দেওয়া হয় । সারাদেশে নির্বাচিত বিচারক নিয়োগ করার নিয়ম করা হয় । বিনা খরচে বিচার পাবার অধিকার দেওয়া হয় । স্থানীয় আদালত গুলোর উপর আপিল আদালত বা High Court স্থাপন করা হয় ।  সরকারি চাকরির যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচন করার নিয়ম করা হয় । স্থানীয় পরিষদ গুলোকে স্থানীয় রক্ষীবাহিনী , পৌর কর আদায় , আইন শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হয় । 

৩) শাসনতান্ত্রিক সংস্কার : 

ক) সরকার ব্যবস্থা : 

শাসনতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থার ক্ষেত্রে Divine of Right Kingship এবং স্বৈরাচারী রাজতন্ত্র স্থলে সাংবিধানিক রাজতন্ত্র প্রবর্তন করা হয় । ক্ষমতা বিভাজন এর মাধ্যমে রাজার ক্ষমতা কমিয়ে দেওয়া হয় । প্রকৃত ক্ষমতা অর্পণ করা হয় পালামেন্টের উপর । মন্ত্রীদেরকে তাদের কাজের জন্য আইন সভার নিকট জবাবদিহি করতে হতো । সংবিধানে আইনসভাকে সার্বভৌম ঘোষণা করা হয় এবং রাজা আইনের বলে রাজত্ব করতে বাধ্য হয় । 

খ) আইন পরিষদ : 

আইনসভা কে এক কক্ষ বিশিষ্ট করা হয় । আইন সভার সদস্য সংখ্যা ৭৪৫  করা হয় । এর কার্যকালের মেয়াদ করা হয় দুই বছরের । একবার কেউ নির্বাচিত হলে পুনরায় সে  প্রার্থী হতে পারবে না ।ভোটদানের অধিকার সীমাবদ্ধ করা হলো । সম্পত্তির ভিত্তিতে জনগণকে Active ও Pasive এ দুই ভাগে ভাগ করা হয় । Active Citizen রাই শুধু ভোটদানের অধিকার পেল । যে সকল নাগরিক অন্তত: তিন দিনের মজুরি সরকারকে প্রত্যক্ষ কর হিসেবে দেয় শুধু তারাই ভোটাধিকার পায় । সরকারি কর্মচারী , বিচার বিভাগের কর্মচারীদের ভোটদানের অধিকার দেওয়া হলো না । যুদ্ধ ঘোষণা, শান্তি স্থাপন করা, করধার্য করন ,মৌলিক অধিকার   বিষয়ে আইন রচনা , সরকারি কাজকর্ম সম্পর্কে পর্যালোচনা শুধু দায়িত্ব আইনসভার হাতে ন্যস্ত থাকে । 

গ) Declaration of the Rights of Man and Citizen . 

i) স্বাধীনতা ও সাম্য মানুষের জন্মগত অধিকার , 

ii) জানমালের নিরাপত্তা , অন্যায়, অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করার অধিকার , 

iii) রাজা নয় , জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী ,

iv) আইনের উৎস হলো জনমত , জনমতের বাইরে কোন আইন রচিত হতে পারবে না , 

vii) আইনের চোখে সকলে সমান এবং সমান সুযোগ-সুবিধা পাবার অধিকারী , 

viii) আইনের অনুমোদন ব্যতীত বিনা কারণে কাউকে গ্রেফতার বা দন্ড দেওয়া যাবে না , 

x) সম্পত্তিতে ব্যক্তি মালিকানা থাকবে এবং বিনা ক্ষতিপূরণে কারোর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা যাবে না , 

xi) বাক স্বাধীনতা , সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সভা-সমিতি ও চলাফেরা স্বাধীনতাকে মৌলিক অধিকার বলে ঘোষণা দেওয়া হয় ,

xii) সরকারি কর্মচারীরা তাদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকবে । 

ইংল্যান্ডের ম্যাগনাকার্টা , আমেরিকার স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র এবং লক ও রুশোর দার্শনিক তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে এটি রচিত হয়েছিল । এতে ফরাসি জাতিতে , সমগ্র ইউরোপের নিপীড়িত মানুষের জন্য একটা আশাবাদী ফল হিসেবে কাজ করেছিল । 

৪) রাজার ক্ষমতা : 

রাজার সর্বময় ক্ষমতার লোপ করে তাকে শাসন বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয় । রাজস্ব ব্যক্তিগত সম্পত্তি রাষ্ট্রায়াত্ত ঘোষণা করে তাকে বার্ষিক পেনশন  ( ২,৫০,০০,০০০ ফ্রাংক ) দেওয়ার ব্যবস্থা হয় । রাজা মন্ত্রী নিযুক্ত করতে পারবেন । মন্ত্রীরা আইন সবার নিকট দায়ী থাকবে । তবে মন্ত্রীরা আইনসভার সদস্য হতে পারবে না । রাজা রাষ্ট্রদূত , সেনাপতি নিয়োগ দিতে পারবেন । তবে সেনাদলের উপর তার নিয়ন্ত্রণ থাকবে না । আইন রচনা বা বিচার করার অধিকার থেকে রাজাকে বঞ্চিত করা হয় । রাজাক কোন আইনে Suspensive Veto বা সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারবেনা । তবে আইনসভা পরপর তিনবার ওই আইন পাশ করলে রাজার সম্মতি ব্যতীত তা আইনে পরিণত হবে । 

৫) অর্থনৈতিক সংস্কার : 

সংবিধান সভা সকল প্রকার পরোক্ষ কর যেমন লবন কর বা গ্যাবল বাতিল করা হয় । সকল প্রকার বৈষম্যমূলক কর বাতিল করে, সাম্যের ভিত্তিতে আয় অনুযায়ী সকল শ্রেণীর নাগরিকের উপর কর আরোপ করা হয় । গ্রাম সভা বা Local Municiplity গুলোকে কর আদায়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় । আমদানি শুল্ক কমিয়ে অবাধে পণ্য সামগ্রী চলাফেরা সুযোগ দেওয়া হয় । ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির একচেটিয়া বাণিজ্যের অধিকার লোপ করা হয় । Gild প্রথা রদ করা হয় । গির্জার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে Assignat নামে এক প্রকার কাগজি মুদ্রা বাজারে ছাড়া হয় । 

৬) ধর্মীয় সংস্কার : 

সংবিধান সভা Civil Constitution of the Clergy নামে এক আইন পাস করে ধর্মীয় পুরোহিতদেরকে সরকারের প্রতি আনুগত্যের শপথ দিতে বাধ্য করা হয় । পোপের নিয়ন্ত্রণ একেবারে লোপ করা হয় । গির্জার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয় । গির্জাকে সরকারি দপ্তরে পরিণত করা হয় । যাজকদের কে সরকার থেকে বেতন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয় । বিশপ ও যাজকরা  ভোটের দ্বারা নিযুক্ত হবে। পূর্বে তারা পোপ কর্তৃক নিযুক্ত হতো । খ্রিস্ট ধর্মের সকল সম্প্রদায় কে স্বীকৃতি দেওয়া হয় । 

সমালোচনা : 

সংবিধান সভা অনেকে যুগান্তকারী ভালো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেও ত্রুটির উর্ধ্বে ছিল না। এতে বুর্জোয়া শ্রেণীর তাদের স্বার্থের কথা চিন্তা করে এ সংবিধান রচনা করে । যেমন :- সকল মানুষ স্বাধীনতা ও সমান অধিকার নিয়ে জন্মগ্রহণ করে একথা স্বীকার করলেও তারা সকল নাগরিককে ভোটাধিকার দেয়নি । রাজার ক্ষমতা বিপুলভাবে কমিয়ে শাসন কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয় রাজাকে । ফলের রাজার দায়িত্ব ছিল কিন্তু ক্ষমতা ছিল না । এতে কেন্দ্রীয় শাসন ভেঙ্গে পড়ে । রাজা ও তার মন্ত্রীদের সঙ্গে আইনসভার কোন সম্পর্ক ছিল না । কেননা মন্ত্রীরা আইনসভার সদস্য ছিল না । আইনসভা ছিল এক কক্ষ বিশিষ্ট । ফলে কোন অসঙ্গত অযুক্তিক আইন প্রণয়ন করলেও তার সংশোধনের কোনো উপায় ছিল না । ক্ষমতা বিভাজন নীতি অনুযায়ী প্রাদেশিক শাসনকর্তা কেন্দ্রীয় আদেশ পালন করতে বাধ্য ছিলেন না । অনেক ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপরিচালনা অভিজ্ঞ লোকের অভাব ছিল । এর ফলে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম হয় । নির্বাচনের মাধ্যমে বিচারক নিযুক্ত হওয়ায় বিচারকের স্বাধীনতা লুপ্ত হয় । গির্জার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করায় পুরোহিতরা বিপ্লব বিরোধী হয় । অর্থনৈতিক সংকট নিরসনে কাগজের নোট ছাপা ফলে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয় । 

দরিদ্র জনসাধারণের কর্মসংস্থান ও জীবিকার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি । সংবিধান সভা ভূমিহীন, দরিদ্র ,দিনমজুর, শ্রমিক ইত্যাদির স্বার্থে কোন আইন পাস করেনি । বরং  সোপারিয়ার   আইন দ্বারাশ্রমিকের ধর্মঘট ও ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার হরণ করা হয় । এইসব ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও সংবিধান সভা নিপীড়িত মানুষের মনে এক নবজাগরণের সূচনা হয়েছিল । স্বৈরাচারী রাজতন্ত্র ও যাজক তন্ত্রের স্থলে প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল । সাম্য , মৈত্রী স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের ইরামত প্রতিষ্ঠা হয়েছিল । 

মৌলিক অধিকার ঘোষণা / মানবাধিকার ঘোষণা ( Declaration of the Rights of Man and Citizen.  )

ফ্রান্সের জাতীয় সভা ( 1789-1791 ) দেশের জন্য একটি সংবিধান রচনার দায়িত্ব গ্রহণ করে । এ কারণে এ সভা সংবিধান সভা নামে পরিচিত । সংবিধান সভা একটি শাসনতন্ত্র বা সংবিধান রচনার পাশাপাশি নাগরিকদের জন্য কতগুলো মৌলিক মানবাধিকার ঘোষণা ( Declaration of the rights of man and of the citizen )  দেয় । ইংল্যান্ডের ম্যাগনাকার্টা ,আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণাপত্র এবং লক ও রুশোর দার্শনিক তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে এ ঘোষণা পত্র রচিত হয়েছিল । 

এতে বলা হয়েছিল যে , 

১) স্বাধীনতা মানুষের জন্মগত অধিকার এবং সকল মানুষ সমান অধিকার ভোগ করবে ,

২) আইনের চোখে সকলকে সমান এবং সমান সুযোগ-সুবিধা পাবার অধিকারী , 

৩) আইনের সাহায্য ছাড়া কাউকে আটক করা যাবে না এবং বিনা বিচারে কাউকে বন্দী রাখা যাবে না , 

৪) ব্যক্তি স্বাধীনতা ,সম্পত্তি ভোগের স্বাধীনতা, জানমালের নিরাপত্তা, অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করার প্রত্যেক মানুষের মৌলিক অধিকার ,

৫) প্রত্যেক ব্যক্তির বাকস্বাধীনতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা থাকবে , 

৬) যোগ্যতা অনুযায়ী সকল মানুষ সকল সরকারি চাকরি লাভের অধিকারী , 

৭) কর ভার সকলের উপর ন্যায্য ভাবে বন্টিত হবে , 

৮) আইন প্রণয়নের ক্ষমতা জনপ্রতিনিধিদের হাতে ন্যস্ত থাকবে , 

৯) আইনের উৎস জনমত , জনমতের বিরুদ্ধে আইন রচিত হতে পারে না এবং 

১০) রাজা নয় জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী । 

এগো সনদপত্র পরবর্তীকালে শাসনতন্ত্রের সংযোজিত হয় । 

ঘোষণাপত্রের ত্রুটি : 

এই ঘোষনাপত্র কিছু ভুল ছিল । যেমন : – 

ক) এতে জীবিকা ও কাজ করার অধিকার স্বীকৃতি পায়নি । অর্থাৎ ব্যক্তির রাজনৈতিক অধিকারের কথা বলা হলেও অর্থনৈতিক অধিকারের কথা উম্মুক্ত হয়নি । 

খ) এতে প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকারের কোন উল্লেখ নেই । 

গ) এতেন নাগরিক কর্তব্যের কোন উল্লেখ । 

ঘ) এতে সম্পত্তিভিত্তিক অসাম্যকে টিকিয়ে রাখা হয়েছে । 

ঘোষণাপত্রের তাৎপর্য / গুরুত্ব : 

পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে যখন সামন্ততান্ত্রিক স্বৈরাচারের অস্তিত্ব অটুট , ভূমিদাস প্রথা ও দাসপ্রথার অবাধ রাজত্ব সে যুগে ঘোষণাপত্রটি ছিল একটি বৈপ্লবিক ঘটনা । শুধু ফ্রান্স নয় , পুরো পৃথিবীর মানুষ এর মধ্যে দেখতে পেয়েছিল মুক্তির নির্দেশনা । এর ফলে ফ্রান্সে পুরাতন তন্ত্রের ( Old Regime )  অবসান ঘটে এবং নতুন আমলের ( New Regime )  সূত্রপাত হয় । অর্থাৎ সাম্য ,মৈত্রী ও স্বাধীনতার বাণী ধনী তে পরিণত হয় । ঐতিহাসিকদের লেফেভরের  মতে , “ ইউরোপের সর্বত্রই ঘোষণাপত্রের নবযুগের সূচনা ঘটে । “ 

Post Author: showrob

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

+ 33 = 39