সপ্তবর্ষব্যাপী যুদ্ধ

Seven Years War 

সপ্তবর্ষব্যাপী ( ১৭৫৬-১৭৬৩ ) যুদ্ধ ছিল ইউরোপের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা । এ যুদ্ধ একযোগে চলছিল ইউরোপ , ভারত ও  উত্তর আমেরিকা । এর যুদ্ধের এক পক্ষ ছিল অস্ট্রিয়া, ফ্রান্স, সুইডেন, স্যাক্সনিসহ কয়েকটি জার্মান রাজ্য । অপরদিকে ছিল গ্রেট ব্রিটেন ও স্প্রর্শিয়া । যুদ্ধের শুরুতে রাশিয়া প্রথম পক্ষে ছিল , কিন্তু শেষ পর্যায়ে এ দেশটির দ্বিতীয় পক্ষে যোগ দেয় । ১৭৬৩ সালে প্যারিস চুক্তির মাধ্যমে এ যুদ্ধের অবসান ঘটে । 

সপ্তবর্ষব্যাপী যুদ্ধের কারণ ( Causes of the Seven Years War  )

১) অস্ট্রিয়া ও স্প্রর্শিয়ার বিরোধ : 

সপ্তবর্ষব্যাপী যুদ্ধের মূলে ছিল জার্মানিতে প্রাধান্য বিস্তারের  প্রশ্নের অস্ট্রিয়া ও স্প্রর্শিয়ার মধ্যে প্রতিযোগিতা । এ যুদ্ধ ছিল আসলে অস্ট্রিয়ার উত্তরাধিকার যুদ্ধের ধারাবাহিকতা । ১৭৪৮ সালে লা-স্যাপেলের সন্ধির মাধ্যমে অস্ট্রিয়ার উত্তরাধিকার যুদ্ধের অবসান ঘটলেও এর সন্ধি কোন পক্ষে সমর্থন করতে পারেনি । ইংল্যান্ডের জবরদস্তিতে অস্ট্রিয়া ফ্রেডারিখকে সাইলেশিয়া দিতে বাধ্য হলেও অস্ট্রিয়ার রানী মারিয়া থেরেসা সাইলেশিয়ারমত সম্পদশালী ও উর্বর প্রদেশ হারানোর দুঃখ ভুলতে পারেননি। মারিয়া থেরেসা পরাজয়ের প্রতিশোধ নেওয়ার প্রস্তুতি নিতে থাকেন । তিনি প্রশাসনকে কেন্দ্রীভূত করেন , কৃষি, শিল্প ও বাণিজ্যিক উন্নতির চেষ্টা করেন , সরকারের আয় বৃদ্ধি করেন এবং একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে সচেষ্ট হন । আবার এদিকে স্প্রর্শিয়া সাইলেশিয়া দখল করলেও ইহার নিরাপত্তার সমস্যা তখন ফ্রেডারিখকে চিন্তিত করে রেখেছিল । 

২) স্প্রর্শিয়ার অভূর্থান : 

আঠারো শতকে স্প্রর্শিয়ার অভ্যুত্থান ও শক্তি সঞ্চয় ইউরোপের রাজনীতিতে এক বিরাট পরিবর্তন এনেছিল । জার্মানির নেতৃত্বে ক্রমশই স্প্রর্শিয়া হাতেই চলে যাচ্ছিল । স্প্রর্শিয়ার অভূর্থান অস্ট্রিয়া ও ফ্রান্স উভয়ের জন্যই ভীতি সঞ্চার করেছিল এবং ইউরোপের শক্তিসাম্য নষ্ট করে এক নতুন সমস্যার সৃষ্টি করেছিল ।


৩) কূটনৈতিক বিপ্লব : 

মারিয়া থেরেসা কূটনৈতিক ক্ষেত্রে স্প্রর্শিয়াকে একঘরে করার চেষ্টায় নিয়োজিত হয় । ফ্রেডারিখ রাশিয়ার সম্রাঞ্জী এলিজাবেথ সম্পর্কে ব্যাঘ্র কবিতা লিখতেন । এছাড়াও নানা কারণে এলিজাবেথ ফ্রেডারিখের উপর অসন্তুষ্ট ছিলেন । এ সুযোগে মারিয়া তার সঙ্গে মৈত্রীর সম্পর্ক গড়ে তোলেন । তার চেষ্টা ও স্প্রর্শিয়ার বিরুদ্ধে অস্ট্রিয়ার পক্ষে অবস্থান নেয় । এদিকে মারিয়া দুই শতাধিক বছরের বুববোঁ ও হ্যাপসবার্গ রাজবংশের দ্বন্দ্ব মিটিয়ে ফ্রান্সের সমর্থন আদায় করেন । এ ক্ষেত্রে তাকে সাহায্য করেন তাঁর বিখ্যাত পররাষ্ট্রমন্ত্রী কৌণিজ ।  কৌণিজ প্রস্তাব করেন যে , ফ্রান্স যদি স্প্রর্শিয়ার  পক্ষ ত্যাগ করে অস্ট্রিয়ার সঙ্গে মৈত্রীর সম্পর্ক স্থাপন করে তবে ফ্রান্সের হাতে নেদারল্যান্ড বা বেলজিয়াম ছেড়ে দেওয়া হবে । কিন্তু ফ্রান্সের রাজা পঞ্চদশ লুই এ প্রস্তাবে সম্মত হলেন না । কেননা দীর্ঘদিন যাবৎ ফ্রান্সের বুরবোঁ রাজবংশ অস্ট্রিয়ার হ্যাপসবার্গ রাজবংশের বিরোধিতা করে আসছিল । উপায়ান্তর তোর থেকে না দেখে কৌণিজ লুইয়ের উপপত্নী ম্যাডাম  প্যাস্পাডুরের শরণাপন্ন হন এবং শেষ পর্যন্ত তার প্রভাবে লুই অস্ট্রিয়ার সঙ্গে জোট বদ্ধ হয়ে সম্মত হন । 

 ইংল্যান্ড জার্মানিতে তার উপনিবেশিক হ্যানোভারের নিরাপত্তা এবং জার্মানিতে শান্তির নিশ্চয়তা দিয়ে ওয়েস্টমিনিস্টার স্প্রর্শিয়ার মহামতি ফ্রেডারিখের সঙ্গে  মৈত্রীতে চুক্তিতে আবদ্ধ হন।  এই ঘটনার প্রেক্ষিতে অস্ট্রিয়া ও ফ্রান্সের মধ্যে ভার্সাইা মিত্রতা চুক্তি সম্পাদিত হয় । 

৪) বাণিজ্যিক ও উপনিবেশিক দ্বন্দ্ব : 

ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে চলছিল বাণিজ্যিক ও উপনিবেশিক প্রতিযোগিতা । দুই দেশের এই ছিল সাম্রাজ্য বিস্তারের তীব্র আকাঙ্ক্ষা । আঠারো শতকের মধ্যভাগে দুই দেশের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা ও দ্বন্দ্ব দেখা দেয় । এ দ্বন্দ্ব শুধু ইউরোপীয় সীমাবদ্ধ ছিল না । আমেরিকা ও ভারতবর্ষে ইংরেজ ও ফরাসি উপনিবেশিক গুলোর মধ্যে তিক্ততা দিন দিন বাড়তে থাকে । যেমন: –

ক) উত্তর আমেরিকা : 

আমেরিকার পশ্চিম অঞ্চল যেমন লুইজিয়ানা , টেক্সাস ইত্যাদি অঞ্চল এবং কানাডা ছিল ফ্রান্স অধিকৃত । আমেরিকার বাকি বেশিরভাগ ছিল ইংল্যান্ড অধিকৃত । আমেরিকার ইংল্যান্ডের অধিকৃত স্থান গুলো যাতে পশ্চিমদিকে আর বিস্তৃত হতে না পারে, সে কারণে ফ্রান্স কানাডা ও লুইজিয়ানার মধ্যবর্তী স্থানে কতগুলো দুর্গ নির্মাণ করতে শুরু করে । ফ্রান্স ইংরেজদের উপনিবেশ বিস্তারের পথে বাধা দিচ্ছে । সুতরাং ইংল্যান্ডের উপনিবেশিক ও বাণিজ্যিক স্বার্থে ওই বাধাঁ ভাঙ্গার প্রয়োজন বোধ করে । 

খ) ভারতে : 

আঠারো শতকের প্রথম দিকে মুঘল শাসকদের দুর্বলতার সুযোগে ইংরেজ ও ফরাসি বণিক গোষ্ঠী এদেশে একটি স্থাপনের  লক্ষে কাজ করতে থাকে । এর ফলে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয় । ১৭৫০ সালে ফরাসি গভর্নর ডুপ্লে তাদের তাবেদার মোহাম্মদ আলীকে কর্নাটকের সিংহাসনে বসেন । কিন্তু ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ডুপ্লের  পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দেয় । তারা কর্ণাটকের রাজধানী আকম্বট দখল করে এবং মোহাম্মদ আলী কে ক্ষমতা বিচ্ছিন্ন করে। ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধের পর থেকে বাংলার ইংরেজ শক্তি বৃদ্ধি পেতে থাকে। বাংলায় ইংরেজ বিরোধী নবাব কে ফরাসীরা সাহায্য করতে থাকলে ইংরেজরা বাংলায় ফরাসি চন্দননগর ও পান্ডিচেরি দখল করে নেয়। এভাবে ভারত ও আমেরিকায় ইংরেজ ও ফরাসি দের মধ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। 

৫)  প্রূশিয়া কর্তৃক সাক্সনি ও বোহেমিয়া আক্রমণ : 

ফ্রেডারিখ অতর্কিতে সাক্সনি রাজ্য আক্রমণ করে বিলের পরিমাণ ক্ষতিপূরণ আদায় করে এবং সৈন্য সংগ্রহ করেন । অতএব তিনি বোহেমিয়া আক্রমণ করেন । এতে তার শত্রুদের অস্ট্রিয়া ,ফ্রান্স ,  সুইডেন,ও রাশিয়া ক্ষুব্ধ হয়ে বিভিন্ন দিক থেকে আক্রমণ করে এবং সপ্তবর্ষব্যাপী যুদ্ধের সূচনা করে ( ১৭৫৬ খ্রি: ) । ইউরোপে স্প্রর্শিয়ার কাছে , উত্তর আমেরিকা ও ভারতের ইংল্যান্ডের কাছে ফ্রান্সের পরাজয় রাজা পঞ্চদশ লুই কে দারুণভাবে বিব্রত করে । এই অবস্থা তিনি তাঁর আত্মীয় স্পেন ,সিসিলি ও নেপালসের রাজার কাছে সাহায্য চান । ফলে তাদের মধ্যে পারিবারিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ( ১৭৬২ খ্রি: ) এবং স্পেন সপ্তবর্ষব্যাপী যুদ্ধে যোগদান করে । ১৭৬২ সালে রাশিয়ার সম্রাঞ্জী এলিজাবেথ মৃত্যুবরণ করলে তৃতীয় পিটার ক্ষমতায় আহরণ করেন এবং অস্ট্রিয়াকে বাদ দিয়ে স্প্রর্শিয়ার পক্ষ অবলম্বন করেন । অবশেষে ১৭৬৩ সালে ‍দুইটি চুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধের অবসান ঘটে। একটি হলো প্যারিস চুক্তি যা ইংল্যান্ড , ফ্রান্স ও স্পেনের মধ্যে সম্পাদিত হয় । অন্যটি হিউবার্টুসর্গ চুক্তি যা অস্ট্রিয়া স্প্রর্শিয়া ও সাক্সনির মধ্যে সম্পাদিত হয় । এই দুই চুক্তি একত্রিতভাবে প্যারিস চুক্তি বা প্যারিস সন্ধি নামে পরিচিত । 

সপ্তবর্ষব্যাপী যুদ্ধের ফলাফল ( Result of the Seven Years War )  

১) সপ্তবর্ষব্যাপী যুদ্ধ ইংল্যান্ড বেশি লাভবান হয়েছিল এবং ইংল্যান্ড পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ উপনিবেশিক ও সামুদ্রিক শক্তিতে পরিণত হল । ইংল্যান্ড ফ্রান্স এর কাছ থেকে সেইন্টলরেন্স উপত্যকার সবটা, মিসিসিপি নদীর পূর্ব তীরে বিস্তীর্ণ অঞ্চল , কানাডা, গ্রানাডা দ্বীপ লাভ করে । 

২) স্পেন ও ফ্রান্সের পক্ষ অবলম্বন করায় শাস্তিস্বরূপ স্পেনকে হান্ডুরাসের দুর্গগুলো ভেঙ্গে ফেলতে হল ।  নিউ ফাউন্ডল্যান্ডে স্পেনের মৎস্য ধরার অধিকার ন্কচ করল । ইংল্যান্ড কর্তৃক অধিকৃত স্পেনের উপনিবেশ কিউবা এবং ফিলিপাইন ইংল্যান্ডের কাছ থেকে স্পেন ফেরত পায় । কিন্তু তার পরিবর্তে ফ্লুরিডা ইংল্যান্ড লাভ করে । স্পেন ফ্রান্স এর কাছ থেকে লুইজিয়ানা লাভ করে । 

৩) ভারত উপমহাদেশে ইংল্যান্ড ফ্রান্সকে তার বাণিজ্য কুটি গুলো ফেরত দেয় শুধু বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য । কিন্তু এসব কুটিতে দুর্গ নির্মাণ বা সৈন্য রাখার নিষিদ্ধ করা হয় । ফ্রান্সের নৌ বাহিনী বিধ্বস্ত হয় এবং অর্থনৈতিকভাবে শোচনীয় হয়ে পড়ে । এতে উপনিবেশিক সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ক্ষেত্রে ফরাসি প্রতিযোগিতার অবসান ঘটে । 

৪) সপ্তবর্ষব্যাপী যুদ্ধে প্রমাণিত হয় যে , স্প্রর্শিয়ার মধ্য ইউরোপের শ্রেষ্ঠ শক্তি । স্প্রর্শিয়া জার্মানির নেতৃত্ব লাভ করে । 

৫) ইউরোপে ইংল্যান্ড মিনরকা ফিরে পেল , আফ্রিকা মহাদেশের সেনেগাল দেশটির অধিকার লাভ করল । ভারতে ইংরেজদের অবস্থান কমিক কমিক শক্তিশালী ও সম্প্রসারিত হলো । ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য প্রায় ২০০ বছর টিকে থাকে । এভাবে ইংল্যান্ড সকল মহাদেশের জয়ী হয় এবং এক অপ্রতিহত শক্তিতে পরিণত হয় । 

৬) পরোক্ষভাবে এই যুদ্ধ আমেরিকার স্বাধীনতা সংগ্রামের সূচনা সহায়ক ভূমিকা পালন করে । কেননা যুদ্ধে ইংল্যান্ডের যে বিপুল অর্থ ব্যয় হয় তার জন্য তেরোটি উপনিবেশের নতুন করে কর ধার্য করা হয় । এই ঘটনা থেকেই শেষ পর্যন্ত এসব উপনিবেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু হয় । 

উপরোল্লেখিত আলোচনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে , কৃতিত্ব আধিপত্য, বাণিজ্যিক ও উপনিবেশিক সাম্রাজ্যবাদী বিস্তারের  জন্য সপ্তবর্ষব্যাপী যুদ্ধ সংঘটিত হয় । যুদ্ধের ব্রিটেন ও স্প্রর্শিয়া জোট জয়লাভ করে । স্প্রর্শিয়ার মধ্যে ইউরোপে এবং ইংল্যান্ড সারাবিশ্বে অপ্রতিরোধ্য শক্তিতে পরিণত হয় । ফরাসি জোট এই যুদ্ধে পরাজিত ও ক্ষতিগ্রস্থ হয় বেশি । তবে ইংল্যান্ডের বিজয়ের মধ্যে ভবিষ্যৎ ক্ষতির দিকে নিহত ছিল । তাহলো আমেরিকার স্বাধীনতার যুদ্ধ । 

প্যারিস সন্ধি ( The Treaty of Paris  )

1763 সালে দুটো সন্ধির মাধ্যমে সপ্তবর্ষব্যাপী যুদ্ধ অবসান ঘটে । একটি হলো প্যারিস চুক্তি যা ইংল্যান্ড ফ্রান্স ও স্পেনের মধ্যে সম্পাদিত হয় । অন্যটি ইউবার্টসবার্গ  চুক্তি যা অস্ট্রিয়ায় ,স্প্রর্শিয়া ও সাক্সনির মধ্যে সম্পাদিত হয় । এই দুটো চুক্তি একত্রিতভাবে প্যারিস চুক্তি বা  প্যারিস সন্ধি নামে পরিচিত । 

প্যারিস চুক্তির শর্ত : 

১) ইংল্যান্ড : 

ইংল্যান্ড ফ্রান্সের নিকট থেকে সেইন্ট লরেন্স উপত্যকার সবটা, মিসিসিপি নদীর পূর্ব তীরে বিস্তীর্ণ অঞ্চল , কানাডা , কেপ ব্রিটেন, নোভাস্কোশিয়া , ওয়েস্ট ইন্ডিজের গ্রেনাডা,টোবাগো,ডোমিনিকা, সেন্ট ভিনসেন্ট এবং স্পেনের নিকট থেকে ফ্লোরিডা লাভ করে । ফলে আমেরিকায় ফরাসি সাম্রাজ্যের পতন ঘটে । 

২) স্পেন : 

স্পেন ইংল্যান্ড এর নিকট থেকে কিউবা , ফিলিপিন ফেরত পায় এবং ফ্রান্সের নিকট থেকে পশ্চিম লুইজিয়ানা লাভ করে । স্পেন ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফ্রান্সের পক্ষে যোগদানের শাস্তিস্বরূপ স্পেনকে হুনডুরাসের দুর্গা গুলো ভেঙ্গে ফেলতে হয় ।নিউফাউন্ডল্যান্ডে স্পেন মৎস্য শিকারের অধিকার হারায় । 

৩) ফ্রান্স : 

ভারতে ইংরেজ অধিকৃত ফরাসি বাণিজ্য কুঠিগুলো  ( চন্দননগর ,পন্ডিচেরি ,কারিকাল , মাহে, ইয়ানন প্রভৃতি ) ফ্রান্সকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় । তবে শর্ত ছিল যে , এসব কুঠিগুলোতে দুর্গ নির্মাণ ও সৈন্য রাখা যাবে না । শুধু বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা যাবে । 

ইউবার্টসবার্গ চুক্তি : 

প্রূশিয়া সাক্সনির  উপর দাবি ত্যাগ করে । সাইলেশিয়া উপর স্প্রর্শিয়ার অধিকার অস্ট্রিয়া স্বীকার করে নিতে বাধ্য হয়।

Post Author: showrob

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

4 + 4 =