লক্ষ্নেী চুক্তি, ১৯১৬

পটভূমি : 

১৯০৯ সালের মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন ভারতবাসীর আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হয় । কারণ এই আইন দ্বারা ভারতের সংসদীয় বা দায়িত্বশীল শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়নি । এ আইনে মুসলমানদের আইনসভার পৃথক নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিনিধি পাঠানোর সুযোগ দেওয়া হলেও তারা সন্তুষ্ট হতে পারেনি । ফলে সর্বস্তরের জনগণের মাঝে সর্বস্তরে সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষের দানা বাঁধতে থাকে । 

এ সময় বহির্দেশীয় ও  অভ্যান্তরীণ কিছু ঘটনা প্রবাহে ভারতীয় মুসলমানদের মন বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে । ১৯১১ সালে ভারতে স্বদেশীয় সন্ত্রাসবাদি আন্দোলনের বিবৃত ব্রিটিশ সরকার বাংলা ব্যবচ্ছেদ প্রত্যাহার করলে ব্রিটিশ সরকারের প্রতি মুসলমানদের অনুগত মনোভাবের অবসান ঘটে । ব্রিটিশ সরকারের উদ্দেশ্যের প্রতি মুসলমানদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয় । এসময় মুসলমানরা ব্রিটিশ সরকারের কাছে আলীগড় কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করার দাবি জানায়  । কিন্তু ব্রিটিশ সরকার এ দাবি প্রত্যাখান করলে মুসলমানদের মনে হতাশা বৃদ্ধি পায় । এরপরেই আসে কানপুরের ঘটনা । ১৯১৩ সালের জুলাই মাসে কানপুর পৌরসভা রাস্তা প্রশস্ত করার জন্য একটি মসজিদের কিছু অংশ ভেঙে ফেলে । এই ঘটনা মুসলমানরা ভীষণ ক্ষুব্ধ হয় । পরে তারা দলবদ্ধভাবে মসজিদের ভাঙা অংশে মেরামত করতে গেলে পুলিশ গুলিবর্ষণ করে । ফলে বেশকিছু মুসলমান হতাহত হন । 

এ সময় মুসলিম দুনিয়ার কিছু অপ্রীতিকর ও অবাঞ্ছিত ঘটনা মুসলমানদের বিশেষভাবে আহত করে । ১৯১১ সালে ইতালি ত্রিপোলি আক্রমণ করে দখল করে । ত্রিপোলি ছিল তুরস্ক সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত এবং তুরস্কের সুলতান ছিলেন সমগ্র মুসলিম বিশ্বের সর্বজনশ্রদ্ধেয় খলিফা । এরপর ১৯১২-১৯১৩ সালে শুরু হয় বলকান যুদ্ধ । চারটি বলকান রাজ্য মন্টিনিগ্রো , সার্বিয়া , বুলগেরিয়া ও  গ্রিস তুরস্কের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে । ১৯১৩ সালে লন্ডন চুক্তির মাধ্যমে বলকান যুদ্ধের অবসান ঘটে । বলকান যুদ্ধের ফলে তুরস্ক সাম্রাজ্যের ব্যবচ্ছেদ হলে বৃটেনের নিরাপত্তায় ভারতের মুসলমানরা ভীষণ ক্ষুব্ধ হয় । আবুল কালাম আজাদ তার “ আলহেলাল” এবং মোহাম্মদ আলীর “ কমরেড “ পত্রিকায় ব্রিটিশ সরকারের নীতিকে তীব্রভাবে সমালোচনা করে । এদিকে ১৯১৪ সালে প্রথম মহাযুদ্ধ আরম্ভ হলে তুরস্ক জার্মানির পক্ষে যোগ দেয় । ফলে উপমহাদেশে মুসলমানদের সাথে ব্রিটিশ শাসকদের সম্পর্ক তিক্ততায় পর্যবসিত হয় । 

ইংরেজদের বিরুদ্ধে মুসলমানদের কম বর্ধমান ক্ষোভ ও অসন্তোষ মুসলিম রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলেছিল । ক্রমশঃ ভারতীয় মুসলিম লীগের উদারপন্থী নেতৃবৃন্দের মধ্যে এ ধারণা বদ্ধমূল হয় যে , ভারতের সাধারণ জাতীয়তার বিকাশ সাধনে এবং রাজনৈতিক সংস্কারের সমর্থনে জনমতকে জাগ্রত করার মাধ্যমে দেশ সেরাকল্পে হিন্দু মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার একান্ত প্রয়োজন । ১৯১৩ সালে কংগ্রেস নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর মুসলিম লীগে যোগদান করলে মুসলিম লীগে উদারপন্থী গোষ্ঠীর প্রভাব উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে । এরূপ পটভূমিতে মুসলিম লীগের আদর্শে এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে । ১৯১৩ সালের ২৩ মার্চ মুসলিম লীগ লক্ষ্নেীতে একটি নতুন শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করে । এতে বলা হয় যে , মুসলিম লীগ অতঃপর “ জনসাধারণের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টির মাধ্যমে ব্রিটিশ রাজের সহযোগিতা ভারতের জন্য উপযুক্ত একটি স্বরাজ ব্যবস্থা লাভের জন্য কাজ করার এবং উদ্দেশ্য সাধনের জন্য অন্যান্য সম্প্রদায়ের সঙ্গে সহযোগিতা করার সংকল্প ব্যক্ত করে ।” লীগ এ সময়  কংগ্রেস  তথা হিন্দু বিরোধিতা পরিত্যাগ করায় উভয়ের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার এক অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয় । 

১৯১৫ সালের ৩০শে ডিসেম্বর বোম্বাই শহরে মুসলিম লীগের অষ্টম বার্ষিক অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় । একই সময়ে কংগ্রেসও বোম্বাইতে অধিবেশনে মিলিত হয় লীগের অধিবেশনের জন্য নির্মিত মূল প্যান্ডেলের তোরণে লেখা হয় । “ একতাই শক্তি “ ( Unity is Strength ) । উভয় অধিবেশনের সভাপতি যথাক্রমে এস.পি. সিনহা এবং আজহার- উল-হক ব্রিটিশ নীতির কঠোর সমালোচনা করেন এবং হিন্দু মুসলিম ঐক্য ও সহযোগিতার ওপর জোর দিয়ে তাদের বক্তব্য পেশ করেন । এ সময় মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ , আব্দুর রসুল , ফজলুল হক ও মাওলানা আবুল কালাম আজাদ হিন্দু মুসলিম মৈত্রীর জন্য বিশেষভাবে চেষ্টা করেন । 

কংগ্রেস ও লীগ নেতৃবৃন্দের মধ্যে আলাপ-আলোচনার ফলে স্থির হয় যে , ভারতের ভবিষ্যৎ শাসনতন্ত্র প্রণয়নের ব্যাপারে এই দুই রাজনৈতিক সংগঠন ব্রিটিশ সরকারের কাছে যুক্ত পরিকল্পনা পেশ করবে । এ উদ্দেশ্যে মুসলিম লীগের পক্ষ হতে শাসনতান্ত্রিক পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয় । কংগ্রেস ও শাসনতান্ত্রিক পরিকল্পনা’র শোনার জন্য অনুরোধ কমিটি গঠন করে । 

১৯১৬ সালের ২৯ ও ৩০ ডিসেম্বর লক্ষ্নেীতে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের বার্ষিক অধিবেশন শুরু হয় । লীগের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ । লীগের অধিবেশনে কমিটি কর্তৃক যুক্ত শাসনতান্ত্রিক পরিকল্পনা উভ্যুত্থান হলে তা গৃহীত হয় । কংগ্রেসের অধিবেশনেও অনুরূপ প্রস্তাব গৃহীত হয় । লীগ ও কংগ্রেস কর্তৃক গৃহীত এই শাসনতান্ত্রিক পরিকল্পনায় “ লক্ষ্নেী চুক্তি ” নামে পরিচিত । ভারতের ইতিহাসে এই চুক্তি হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের দলিল হিসেবে বিশেষভাবে খ্যাত । 

চুক্তির ধারা সমূহ : 

১) এ চুক্তির ধারায় বলা হয় , প্রদেশিক সভাগুলোতে সদস্যদের ৪/৫ অংশ নির্বাচিত এবং ১/৫ অংশ মনোনীত হবেন । 

২) প্রধাণ প্রদেশগুলোর আইনসভার সদস্য সংখ্যা ১২৫ জন এবং ছোট প্রদেশগুলোর আইনসভার সদস্য সংখ্যা ৪০ থেকে ৭৫ জন হবে । 

৩) প্রদেশিক স্বায়ত্তশাসন দিতে হবে । প্রদেশিক অর্থনীতির নিয়ন্ত্রণ প্রদেশিক সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকবে । 

৪) আইনসভার সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য দ্বারা গৃহীত প্রস্তাব সরকারকে মানতে হবে । তবে প্রয়োজন হলে গভর্নর ভেটো দিতে পারবেন। 

৫) আইনসভার সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভোটাধিকার সম্প্রসারণ করতে হবে। 

৬) ভারতের প্রধান প্রধান সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের আইন সভায় বিশেষ প্রতিনিধিত্বের সুযোগ থাকবে । 

৭) পৃথক নির্বাচনী ব্যবস্থার মাধ্যমে আইন সভায় বিশেষ প্রতিনিধিত্বের সুযোগ থাকবে। প্রদেশিক আইন সভাগুলোতে নিম্নলিখিত সংখ্যার অনুপাতে মুসলমানদের প্রতিনিধিত্ব থাকবে । 

পাঞ্জাব – মোট নির্বাচিত সদস্যের এক-তৃতীয়াংশ 

যুক্তপ্রদেশ – মোট নির্বাচিত সদস্যের শতকরা ৩০ভাগ 

বাংলাদেশ – মোট নির্বাচিত সদস্যের শতকরা ৪০ ভাগ 

বিহার – মোট নির্বাচিত সদস্যের শতকরা ২৫ ভাগ 

মধ্যপ্রদেশ – মোট নির্বাচিত সদস্যের সব কারা  ১৫ ভাগ 

মাদ্রাজ – মোট নির্বাচিত সদস্যের শতকরা ১৫ ভাগ 

বোম্বে – মোট নির্বাচিত সদস্যের এক তৃতীয়াংশ । 

শর্ত থাকে যে , এসব নির্বাচিত আসন ছাড়া মুসলমানরা কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক অন্য কোন আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে না । 

৮) আইনসভার সদস্যদের দ্বারা সভার সভাপতি নির্বাচিত হবেন এবং আইন সভায় গৃহীত প্রস্তাব সরকার গ্রহণ ও কার্যকরী করতে বাধ্য থাকবেন । 

৯) কোন সম্প্রদায়কে প্রভাবিত করে কোন বিল বা প্রস্তাব কোন আইন সভায় গৃহীত হবে না- যদি উক্ত সম্প্রদায়ের ৩/৫ অংশ প্রতিনিধি উক্ত  বিল বা প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন । 

১০) কেন্দ্রীয় আইন পরিষদে ৪/৫ অংশ সদস্য নির্বাচিত হবেন । নির্বাচিত আসনের ১/৩ অংশ পৃথক নির্বাচনের মাধ্যমে মুসলমানদের দেওয়া হবে । 

১১) যুদ্ধ , সামরিক,  বৈদেশিক ও রাজনৈতিক বিষয়াদি পরিচালনা , শান্তি স্থাপন ও সন্ধিতে আবদ্ধ হওয়া প্রভৃতি ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের উপর হস্তক্ষেপ করার কোন অধিকার আইন সভার থাকবে না । 

১২) ডোমিনিয়নসমূহের সরকারগুলোর সঙ্গে  কলোনিয়াস-সচিবের যে সম্পর্ক বিদ্যমান , ভারত সরকারের সঙ্গে ভারত সচিবের একই রূপ সম্পর্ক থাকা উচিত । 

লক্ষ্নেী চুক্তির গুরুত্ব : 

ভারতের ঘটনাবহুল রাজনৈতিক ইতিহাসে লক্ষ্নেী চুক্তির গুরুত্ব অপরিসীম । 

১) ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের ইতিহাস লক্ষ্নেী চুক্তিই প্রথম হিন্দু মুসলিম রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল । এই চুক্তির মাধ্যমে হিন্দু মুসলিম সম্প্রদায়ের সম্প্রীতির সেতুবন্ধন রচিত হয় । ফলে তারা ব্রিটিশ সরকারের কাছে যুক্ত দাবি পেশ করার সুযোগ পায় । ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে লক্ষ্নেী চুক্তি নিয়ে আসে এক অনুকূল ধারা । এ প্রসঙ্গে স্যার কুপল্যান্ড মন্তব্য করেন  “  The agreement between the two major political organizations may be regarded as the most striking expression of Indian nationalism so far achieved within the bounds of British India” – এই চুক্তির ফলেই ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন অনেক এগিয়ে যায় । 

২) মুসলমানদের দিক হতে এ চুক্তির প্রধান গুরুত্ব ছিল এই যে , এই চুক্তির মাধ্যমে কংগ্রেস মুসলমানদের পৃথক নির্বাচনের দাবি মেনে নেয় । অর্থাৎ এই প্রথম কংগ্রেস মুসলমানদের স্বতন্ত্র রাজনৈতিক অস্তিত্ব স্বীকার করে নেয় । এ চুক্তির ফলে মুসলমানরা তিনটি বিষয়ের সুবিধা লাভ করে  । যেমন – বিভিন্ন আইন সভার স্বতন্ত্র নির্বাচন , মুসলিম সংখ্যালঘু প্রদেশে তাদের ওপর গুরুত্বারোপ , আইন সভায় কোন সম্প্রদায় কে প্রভাবিত করে কোন বিল বা প্রস্তাব উত্থাপিত হলে এবং সে প্রস্তাব যদি উক্ত সম্প্রদায়ের ৩/৪ অংশ বিরোধিতা করে তাহলে সে বিল বা প্রস্তাব গৃহীত হবে না । এই আইন অবশ্যই হিন্দুদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল । 

৩) লক্ষ্নেী চুক্তির মাধ্যমে উভ্যুত্থান স্বায়শাসন প্রতিষ্ঠার দাবি মুসলমানদের সর্বপ্রথম সরকারের মুখোমুখি দাঁড় করায় । কারণ ইতিপূর্বে মুসলিম লীগ ব্রিটিশ সরকারের প্রতি অনুগত ছিল । 

৪) লক্ষ্নেী চুক্তির ফলে কংগ্রেস বিশেষ ভাবে লাভবান হয় । কারণ সরকার বিরোধী আন্দোলনে কংগ্রেস মুসলিম লীগের সমর্থন লাভ করে । ফলে স্বায়ত্তশাসন আদায়ের লক্ষ্যে কংগ্রেসের আন্দোলন আরও বেগবান হয় । 

৫) ভারতের পরবর্তী ঘটনা প্রবাহের উপর এই চুক্তির গুরুত্ব ছিল অপরিসীম । লক্ষ্নেী চুক্তির অধিকাংশ নীতিই ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনে কিছু রদবদল সহকারে রুপদান করা হয় । হিন্দু-মুসলিম সহযোগিতার ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তীকালে খিলাফত ও অসহযোগ আন্দোলন সংঘটিত হয় । 

সুতরাং দেখা যায় যে , ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক ও বিকাশেরলক্ষ্নেী চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে । তবে লক্ষ্নেী চুক্তির কিছু ত্রুটি ছিল । এই চুক্তিতে শাসন বিভাগকে আইনসভার কাছে দায়ী না করে আইনসভার ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয় । তাছাড়া ভারতের পরবর্তী ঘটনা প্রবাহ এটাই প্রমাণ করে যে , ভারতীয় সমাজের বাস্তবতার সাথে লক্ষ্নেী প্রস্তাবের সংগতি ছিল না । বহু হিন্দু নেতা কংগ্রেস কর্তৃক মুসলমানদের পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থার স্বীকৃতি প্রদানের জন্য সমালোচনা করেন । আবার লীগের বহু গোড়া  ও প্রবীণ সদস্য হিন্দু-মুসলিম সহযোগিতার নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন না । অনেক মুসলিম নেতা এই চুক্তিতে মুসলমানদের স্বার্থহানি হয়েছে বলে বিরোধিতা করেন । সুতরাং সমস্ত ঐক্যবোধ এই এক মিথ্যা ভিত্তির উপর দাঁড়িয়েছিল । এ ঐক্য কতোদিন স্থায়ী হবে তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ ছিল । এ প্রসঙ্গে ঐতিহাসিক লাল বাহাদুর মন্তব্য করেন , “ The ideological differences between the two bodies ( Congress & League ) made them ill-assorted mates that were ready to part company at the first opportunity . Looked at from whatever angle of vision , the Lucknow pact was doomed to failure.” 

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন : 

#) লক্ষ্নেী চুক্তির প্রেক্ষাপট আলোচনা করো । 

#) লক্ষ্নেী চুক্তির রাজনৈতিক গুরুত্ব কী ছিল । 

#) লক্ষ্নেী চুক্তিরফলে কি হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে মিলন সাধিত হয়েছিল ? 

রচনামূলক প্রশ্ন : 

#) লক্ষ্নেী চুক্তির ( ১৯১৬) পটভূমি বিশ্লেষণ করো । এই চুক্তির রাজনৈতিক গুরুত্ব কী ছিল ? 

#) লক্ষ্নেী চুক্তির (১৯১৬) শর্তসমূহ পরীক্ষা করো এবং এই চুক্তির ত্রুটি সমূহ কি ছিল ?  

Post Author: showrob

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

62 − = 53