দ্বিরুক্ত শব্দ

দ্বিরুক্ত অর্থ দুবার উক্ত হয়েছে এমন । বাংলা ভাষায় কোন কোন শব্দ , পদ বা অনুকার শব্দ , একবার ব্যবহার করলে যে অর্থ প্রকাশ করে , সেগুলো দুইবার ব্যবহার করলে অন্য কোন সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে । এ ধরনের শব্দের পর পর দুইবার প্রয়োগেই দ্বিরুক্ত শব্দ গঠিত হয় ।  যেমন: “ আমার জ্বর জ্বর লাগছে “ । অর্থাৎ  ঠিক জ্বর নয় , জ্বরের ভাব অর্থে এই প্রয়োগ । 

দ্বিরুক্ত শব্দ নানা রকম হতে পারে : 

ক) শব্দের দ্বিরুক্তি : 

১) একই শব্দ দুইবার ব্যবহার করা হয় এবং শব্দ দুইটি অবিকৃত থাকে । যথা : – ভালো ভালো ফল ,  ফোঁটা ফোঁটা পানি , বড় বড় বই ইত্যাদি । 

২) একই শব্দের সঙ্গে সমার্থক আর একটি শব্দ যোগ করে ব্যবহার হয় । যথা : – ধন-দেীলত, খেলা-ধুলা , লালন-পালন , বলা-কওয়া, খোঁজ-খবর ইত্যাদি । 

৩) দ্বিরুক্ত শব্দ – জোড়ার দ্বিতীয় শব্দটির আংশিক পরিবর্তন হয় । যেমন: – মিট-মাট, ফিট-ফাট, বকা-ঝকা, তোড়-জোড়, গল্প-স্বল্প , রকম-সকম ইত্যাদি । 

৪) সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ যোগে । যেমন: – লেন-দেন, দেনা-পাওনা , টাকা-পয়সা, ধনী-গরীব, আসা-যাওয়া ইত্যাদি । 

খ) পদের দ্বিরুক্তি : 

১) দুটি পদে একই বিভক্তি প্রয়োগ করা হয় , শব্দদুটি ও বিভক্তি অপরিবর্তিত থাকে । যেমন : – ঘরে ঘরে লেখাপড়া হচ্ছে । দেশে দেশে ধন্য ধন্য করতে লাগলো । মনে মনে আমিও এ কথাই ভেবেছি । 

২) দ্বিতীয় পদের আংশিক ধ্বনিগত পরিবর্তন ঘটে , কিন্তু পদ-বিভক্তি অবিকৃত থাকে । যেমন: – চোর হাতে নাতে ধরা পড়েছে । আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে । 

পদের দ্বিরুক্তির প্রয়োগ : 

ক) বিশেষ্য শব্দযুগলের বিশেষণ রূপে ব্যবহার : 

১) আধিক্য বোঝাতে                           : রাশি রাশি ধন , ধামা ধামা ধান ; 

২) সামান্য বুঝাতে                              : আমি আজ জ্বর জ্বর বোধ করছি। দেখেছ তার কবি কবি ভাব। 

৩) পরস্পরতা বা ধারাবাহিকতা বুঝাতে : তুমি দিন দিন রোগা হয়ে যাচ্ছ । তুমি বাড়ি বাড়ি হেঁটে চাঁদা তুলছে । 

৪) ক্রিয়া বিশেষণ                               : ধীরে ধীরে যায় , ফিরে ফিরে চায় । 

৫) অনুরূপ কিছু বোঝাতে                  : তার সঙ্গী সাথী কেউ নেই । 

৬) আগ্রহ বুঝাতে                              : ও দাদা দাদা বলে কাঁদছে । 

খ) বিশেষণ শব্দযুগলের বিশেষণ রূপে ব্যবহার: 

১) আধিক্য বোঝোতে                   : ভালো ভালো আম নিয়ে এসো । ছোট ছোট ডাল কেটে ফেল । 

২) তীব্রতা বা  সঠিকতা বোঝাতে   : গরম গরম জিলাপি , নরম নরম হাত । 

৩) সামান্যতা বোঝাতে                 : উড়ু উড়ু ভাব; কালো কালো চেহারা ; 

গ) সর্বনাম শব্দ : 

বহুবচন বা আধিক্য বোঝাতে :  সে সে লোক গেল কোথায় ? কে কে এলো ? কেউ কেউ বলে । 

ঘ) ক্রিয়াবাচক শব্দ : 

১) বিশেষন রুপে               : এদিকে রোগীর তো যায় যায় অবস্থা । তোমার নেই নেই ভাব গেল না । 

২) স্বল্পকাল স্থায়ী বোঝাতে  : দেখতে দেখতে আকাশ কালো হয়ে এলো । 

৩) ক্রিয়া বিশেষন              : দেখে দেখে যেও । ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে শুনলে কিভাবে ? 

৪) পেীন:পুনিকতা বোঝাতে: ডেকে ডেকে হয়রান হয়েছি । 

ঙ) অব্যয়ের দ্বিরুক্তি : 

১) ভাবের গভীরতা বোঝাতে  : তার দুঃখ দেখে সবাই হায় হায় করতে লাগল। ছি,ছি ,তুমি কি করেছ ? 

২) পেীন:পুনিকতা বোঝাতে  : বার বার সে কামান গর্জে উঠল । 

৩) অনুভূতি বা ভাব  বোঝাতে : ভয়ে গা ছম ছম করছে । ফোঁড়াটা টন টন করছে । 

৪) বিশেষণ বোঝাতে              : পিলসুজে বাতি জ্বলে মিটির মিটির । 

৫) ধ্বনিব্যঞ্জনা                     : ঝিরি ঝিরি করে বাতাস বইছে । বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর । 

যুগ্মরীতিতে দ্বিরুক্ত শব্দের গঠন : 

একই শব্দ ঈষৎ পরিবর্তন করে দ্বিরুক্ত শব্দ গঠনের রীতিকে বলে যুগ্মরীতি । যুগ্মরীতিতে দ্বিরুক্ত গঠনের কয়েকটি নিয়ম রয়েছে । যেমন :- 

 ১) শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন করে                        : চুপচাপ, মিটমাট, জারিজুরি, 

 ২) শব্দের অন্ত্যস্বরের পরিবর্তন করে                         : মারামারি, হাতাহাতি, সরাসরি, জেদাজেদি । 

 ৩) দ্বিতীয়বার ব্যবহারের সময় ব্যঞ্জনধ্বনির পরিবর্তন : ছটফট, নিশপিশ, ভাতটাত । 

 ৪) সমার্থক বা একার্থক সহচর শব্দ যোগে                  : চালচলন, রীতিনীতি , বনজঙ্গল , ভয়ডর । 

 ৫) ভিন্নার্থক শব্দ যোগে                                             :ডালভাত ,তালা চাবি,  পথঘাট,  অলিগলি । 

৬) বিপরীতার্থক শব্দ যোগে                                        : ছোট-বড় , আসা-যাওয়া ,জম্ম-মৃত্যু , আদান-প্রদান । 

পদাত্মক দ্বিরুক্তি : 

বিভক্তি যুক্ত পদের দুইবার ব্যবহারকে পদাত্মক দ্বিরুক্তি বলা হয় । এগুলো দুই রকমে গঠিত হয় । যেমন: – 

১) একই পদের অবিকৃত অবস্থায় দুইবার ব্যবহার । যথা : – ভয়ে ভয়ে এগিয়ে গেলাম । হাটে হাটে বিকিয়ে তোর ভরা আপণ । 

২) যুগ্মরীতিতে গঠিত দ্বিরুক্ত পদের ব্যবহার । যথা : – হাতে-হাতে , আকাশে-বাতাসে , কাপড়-চোপড়, দলে-বলে ইত্যাদি। 

বিশিষ্টার্থক বাগধারায় দ্বিরুক্তি শব্দের প্রয়োগ : 

ছেলেটিকে চোখে চোখে রেখো । ( সতর্কতা ) 

ফুলগুলো তুই আনরে বাছা বাছা । ( ভাবের প্রগাঢ়তা ) 

থেকে থেকে শিশুটি কাঁদছে । ( কালের বিস্তার ) 

লোকটা হাড়ে হাড়ে শয়তান । ( আধিক্য ) 

খাঁচার ফাঁকে ফাঁকে , পরশে মুখে মুখে , নিরবের চোখে চোখে যায়  । 

ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি : 

কোন কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক অনুকৃতিবিশিষ্ট শব্দের রূপকে ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি শব্দ বলে । এ জাতীয় ধ্বন্যাত্মক শব্দের দুইবার প্রয়োগের নাম ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি । ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি দ্বারা বহুত্ব, আধিক্য  ইত্যাদি বোঝায় । ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি শব্দ কয়েকটি উপায়ে গঠিত হয় । যেমন : – 

১) মানুষের ধ্বনির অনুকার : ভেউ ভেউ – মানুষের উচ্চস্বরে কান্নার ধ্বনি । এরূপ – ট্যা ট্যা, হি হি ইত্যাদি । 

2) জীবজন্তুর ধ্বনির অনুকার :  ঘেউ ঘেউ ( কুকুরের ধ্বনি )। এরূপ- মিউ মিউ ( বিড়ালের ডাক ) , কুহু কুহু ( কোকিলের ডাক ) , কা কা ( কাকের ডাক ) ইত্যাদি । 

৩) বস্তুর ধ্বনির অনুকার : ঘচাঘচ ( ধান কাটার শব্দ ) । এরূপ – মড়মড় ( গাছ ভেঙ্গে পড়ার শব্দ ) ঝমঝম ( বৃষ্টি পড়ার শব্দ ) , হু হু ( বাতাস প্রবাহের শব্দ ) ইত্যাদি । 

৪) অনুভূতিজাত কাল্পনিক ধ্বনির অনুকার : ঝিকিমিকি ( ঔজ্জ্বল্য ) । এরুপ- ঠা ঠা ( রোদের তীব্রতা ) , কুট কুট ( শরীরে কামড় লাগার মত অনুভূতি ) । অনুরূপভাবে – মিন মিন , পিট পিট , ঝি ঝি ইত্যাদি । 

ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি গঠন : 

১) একই ( ধ্বন্যাত্মক ) শব্দের অবিকৃত প্রয়োগ : ধব ধব , ঝন ঝন , পট পট । 

২) প্রথম শব্দটির শেষে আ যোগ করে             : গপাগপ, টপাটপ, পটাপট । 

৩) দ্বিতীয় শব্দটির শেষে ই যোগ করে              : ধরাধরি, ঝমঝমি, ঝনঝনি । 

৪) যুগ্মরীতিতে গঠিত ধ্বন্যাত্মক শব্দ : কিচির মিচির ( পাখি বা বানরের শব্দ ) , টাপুর টুপুর ( বৃষ্টি পতনের শব্দ ) , হাপুস হুপুস ( গোগ্রাসে কিছু খাওয়ার শব্দ ) 

৫আনি-প্রত্যয় যোগেও বিশেষ্য দ্বিরুক্ত গঠিত শব্দ : পাখিটার ছটফটানি দেখলে কষ্ট হয় । তোমার বকবকানি আর ভালো লাগে না । 

বিভিন্ন পদরুপে ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্ত শব্দের ব্যবহার: 

১) বিশেষ্য : বৃষ্টির ঝমঝমানি আমাদেরকে অস্থির করে তোলে । 

২) বিশেষন : “ নামিল নভে বাদল ছলছল বেদনায় । 

৩) ক্রিয়া : কলকলিয়ে উঠল সেথায় নারীর প্রতিবাদ । 

৪) ক্রিয়া বিশেষন: “চিকচিক করে বালি কোথা নাহি কাদা “ । 

১) দ্বিরুক্ত অর্থ কি ? 

ক) দুইবার উক্ত 

খ) দুইবার ব্যাপ্ত 

গ) অনুক্ত শব্দ 

ঘ) জোড়া শব্দ 

উত্তর : ক 

২) দ্বিরুক্তির আরেক নাম কি ? 

ক) দ্বিতীয় উক্তি 

খ) অনুক্ত শব্দ 

গ) শব্দ দ্বৈত 

ঘ) শব্দযুগল 

৩) দ্বিরুক্ত শব্দ গুলো কোন ধরনের অর্থ প্রকাশ করে ? 

ক) কালনিরপেক্ষ 

খ) বিপরীতার্থক 

গ) নিরর্থক 

ঘ) বিশেষ বা সম্প্রসারিত 

উত্তর : ঘ 

৪) “ আমার জ্বর জ্বর লাগছে “ – কোন শব্দের উদাহরণ ? 

ক) দ্বিরুক্ত শব্দ 

খ) দেশি শব্দ 

গ) তদ্ভব শব্দ 

ঘ) তৎসম শব্দ 

উত্তর : ক 

৫) দ্বিরুক্ত শব্দ কয় প্রকার ? 

ক) দুই

খ) তিন 

গ) চার 

ঘ) পাঁচ 

উত্তর : খ 

৬)  “ সমার্থক “ শব্দ যোগে দ্বিরুক্ত হয়েছে কোনটিতে? 

ক) ভালোমন্দ 

খ) তোড়জোড় 

গ) ধন-দেীলত 

ঘ) আমির-ফমির 

উত্তর : গ 

৭) কোনটি বিপরীতার্থক দ্বিরুক্ত শব্দ ? 

ক) ভালভাল 

খ) দেনা-পাওনা 

গ) মনে মনে 

ঘ) মিটির মিটির 

উত্তর : খ 

৮) আধিক্য বোঝাতে বিশেষ্য শব্দযুগলের বিশেষণরূপে ব্যবহার কোনটি ? 

ক) রাশি রাশি ধান 

খ) কাল কাল মেঘ 

গ) ঝির ঝির বাতাস 

ঘ) উডু উডু মন 

উত্তর: ক 

৯) “ রাশি রাশি ধান “ কোন অর্থে দ্বিরুক্ত? 

ক) আধিক্য অর্থে 

খ) সামান্য অর্থে 

গ) তীব্রতা অর্থে

ঘ) ধারাবাহিক  অর্থে 

উত্তর : ক 

১০) “ আমি আজ জ্বর জ্বর বোধ করছি “ – এখানে দ্বিরুক্ত শব্দ দ্বারা কী অর্থ বুঝানো হয়েছে ? 

ক) সামান্য 

খ) আধিক্য 

গ) আতিশয্য 

ঘ) ধারাবাহিকতা 

উত্তর : ক 

১১) “ দেখেছে “ তার কবি কবি ভাব “ । – এ বাক্যে কী বুঝাতে দ্বিরুক্তি ব্যবহার হয়েছে ? 

অথবা, “ মাহমুদের কবি কবি ভাব “ – এখানে “ কবি কবি “ কোন অর্থে দ্বিরুক্ত হয়েছে ? 

ক) আধিক্য বোঝাতে 

খ) আগ্রহ বোঝাতে 

গ) সঠিকতা বোঝাতে 

ঘ) সামান্যতা বোঝাতে 

উত্তর : ক 

১২) আধিক্য অর্থে দ্বিরুক্ত হয়েছে কোনটিতে ? 

ক) জ্বর জ্বর 

খ) শীত শীত 

গ) ধামা ধামা 

ঘ) টক টক 

১৩) “ রাশি “ শব্দের দ্বিরুক্তিতে কোন অর্থ প্রকাশ পায় ? 

ক) সামান্য 

খ) আধিক্য 

গ) শূন্য 

ঘ) আতিশয্য 

উত্তর : খ 

১৪) দ্বিরুক্ত নির্ণয়ে কোনটি ঠিক ? 

ক) “ বার বার সেই কামান গর্জন” – ভাবের গভীরতা 

খ) পিলসুজে বাতি জ্বলে মিটির মিটির- ধ্বনির ব্যঞ্জনা 

গ) কাদা কাদা মাঠ- সামান্য 

ঘ) লোকটি হাড়ে হাড়ে শয়তান – সতর্কতা 

উত্তর : গ 

১৫) দ্বিরুক্তি নির্ণয়ে কোনটি সঠিক ? 

ক) বৃষ্টির ঝমঝমানি আমাদের অস্থির করে তুলছে – ভাবের গভীরতা 

খ) নামিল নভে বাদল ছলছল বেদনায় – বিশেষ্য 

গ) চিকচিক করে বালি কোথায় নাহি কাদা – ক্রিয়া 

ঘ) থেকে থেকে শিশুটি কাঁদছে – কালের বিস্তর 

উত্তর :ঘ 

১৬) “ তুমি বাড়ি বাড়ি হেঁটে চাঁদা তুলছে “ – “ বাড়ি বাড়ি “ কোন অর্থ প্রকাশ করেছে ? 

ক) আগ্রহ 

খ) সামান্যতা 

গ) ভাবের গভীরতা 

ঘ) ধারাবাহিকতা 

উত্তর : ঘ 

১৭) “ কবি কবি ভাব , কিন্তু ছন্দের অভাব “ – এ বাক্যে “ কবি কবি “ কী অর্থে ব্যবহার হয়েছে ? 

ক) ভালো অর্থে 

খ) কবির মত অর্থে 

গ) উপহাস অর্থে 

ঘ) পুনরাবৃত্তি অর্থে 

উত্তর : গ 

১৮) “ লাল লাল ফুল “ – বাক্যে কী অর্থে দ্বিরুক্ত হয়েছে ? 

ক) শূন্য 

খ) একবচন 

গ) বহুবচন 

ঘ) ঈষৎ 

উত্তর: গ 

১৯) “ ছোট ছোট ডাল কেটে ফেলো “ – বাক্যে কোন অর্থে দ্বিরুক্তির ব্যবহার হয়েছে ? 

ক) আধিক্য 

খ) সামান্যতা 

গ) তীব্রতা 

ঘ) বিশেষ্য 

উত্তর : ক 

২০) নুসরাত গরম গরম হালিম পছন্দ করে – এখানে ” গরম গরম “ কী অর্থে দ্বিরুক্তির হয়েছে ? 

ক) আধিক্য 

খ) সামান্যতা 

গ) তীব্রতা 

ঘ) কল্পনা 

উত্তর : গ 

২১) সামান্যতা বুজাতে বিশেষণ হিসেবে ব্যবহার হয়েছে কোনটিতে ? 

ক) কালো কালো চেহারা 

খ) কবি কবি ভাব 

গ) রাশি রাশি ধন

ঘ) গরম গরম জিলাপি 

উত্তর: ক 

২২) পিলসুজে বাতি জ্বলে মিটির মিটির – কোন অর্থে দ্বিরুক্তি? 

ক) ভাবের গভীরতা

খ) বিশেষণ বুঝাতে

গ) ধ্বনি ব্যঞ্জনা

ঘ) সামান্যতা

উত্তর: খ 

২৩) কোন বাক্যে ক্রিয়া বিশেষণের দ্বিরুক্ত হয়েছে? 

ক) কালো কালো চেহারা 

খ) তোমার নেই নেই ভাব গেল না 

গ) ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে শুনলে কিভাবে 

ঘ)  ফোড়াটা টনটন করছে 

উত্তর : গ 

২৪) কোন শব্দটিতে ক্রিয়াপদের দ্বিরুক্ত ঘটেছে? 

ক) কাকে কাকে 

খ) যার যার 

গ) কেমন কেমন 

ঘ) হেসে হেসে 

উত্তর : ঘ 

২৫) কোন বাক্যে ক্রিয়াবাচক শব্দের দ্বিরুক্তি রূপে ব্যবহার হয়েছে ? 

ক) বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর 

খ) শিশুটি ধীরে ধীরে যায় 

গ) ডেকে ডেকে হয়রান হয়েছি 

ঘ) চিকমিক করে বালি 

উত্তর : গ 

২৬) পেীন:পুনিকতা বুঝাতে দ্বিরুক্ত শব্দের ব্যবহার কোনটি ? 

ক) ছোট ছোট ডাল কেটে ফেলো 

খ) ঝির ঝির বাতাস বইছে 

গ) ধীরে ধীরে যাও 

ঘ) ডেকে ডেকে হয়রান হয়েছি 

উত্তর :ঘ 

২৭) নিচের কোনটি কিয়া বাচক শব্দের দ্বিরুক্তি ? 

ক) বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর 

খ) ঝির ঝির বাতাস বইছে 

গ) ধীরে ধীরে যাও 

ঘ) ডেকে ডেকে হয়রান হয়েছি 

উত্তর : ঘ 

২৮) “ বার বার সে কামান গর্জে উঠল “ –  এ বাক্যের দ্বিরুক্ত শব্দটি কোন অর্থে প্রকাশ করেছে ? 

ক) ক্রিয়া বিশেষণ 

খ) তীব্রতা 

গ) আধিক্য 

ঘ) পেীন:পুনিকতা 

উত্তর: ঘ 

২৯) বিশেষণ বুঝাতে অব্যয় শব্দের দ্বিরুক্তি হয়েছে কোন বাক্যটিতে ? 

অথবা, কোন বাক্যে অব্যয়ের দ্বিরুক্তি হয়েছে ? 

ক) আমি জ্বর জ্বর বোধ করছি 

খ) ভালো ভালো আম নিয়ে এসো 

গ) দেখতে দেখতে আকাশ কালো হয়ে এলো 

ঘ) পিলসুজে বাতি জ্বলে মিটির মিটির 

উত্তর : ঘ 

৩০) ভাবের গভীরতা বুঝাতে অব্যয় পদের দ্বিরুক্তি হয়েছে কোনটিতে ? 

ক) ছি ছি, তুমি কি করেছ? 

খ)ঝির ঝির করে বাতাস বইছে 

গ) পিলসুজে বাতি জ্বলে মিটির মিটির 

ঘ) বারবার কামান গর্জে উঠল 

উত্তর : ক 

৩১) ধ্বনি ব্যঞ্জনা বুঝাতে কোন দ্বিরুক্তির ব্যবহার হয়েছে ? 

ক) ডেকে ডেকে হয়রান হয়েছি 

খ) পিলসুজে বাতি জ্বলে মিটির মিটির 

গ) বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর 

ঘ) গা ছমছম করছে 

উত্তর : গ 

৩২) কোন দ্বিরূক্তটি অব্যয়বাচক ? 

ক) উড়ু উড়ু 

খ) কেউ কেউ 

গ) নেই নেই 

ঘ) মিটির মিটির 

উত্তর: ঘ 

৩৩) কোনটি  অনুকার অব্যয়ের দ্বিরুক্ত ? 

ক) যায় যায় 

খ) কে কে 

গ) উঁচায় নিচায় 

ঘ) ঢং ঢং 

উত্তর: ঘ 

৩৪) তার দুঃখ দেখে সবাই হায় হায় করতে লাগল- এখানে  “ হায় হায় “ অব্যয়ের দ্বিরুক্ততে কোনটি বোঝানো হয়েছে ? 

ক) ভাবের গভীরতা

খ) অনুভূতি

গ) আধিক্য

ঘ) সামান্যতা

উত্তর: ক 

৩৫) অনুভূমিকজাত ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি শব্দ কোনটি? 

ক) ঝিম ঝিম 

খ) টুপটাপ 

গ) মিউ মিউ 

ঘ) সাঁ সাঁ 

উত্তর: ক 

৩৬) ঝিরঝির করে বাতাস বইছে – এখানে দ্বিরুক্ত শব্দটি কোন অর্থে প্রকাশ করছে ? 

ক) ভাবের গভীরতা 

খ) সাম্যানতা 

গ) পেীন:পুনিকতা 

ঘ) ধ্বনিব্যঞ্জনা 

উত্তর: ঘ 

৩৭) কোন দ্বিরুক্তিটি সঠিক তথ্য প্রকাশ করেছে? 

ক) আবার আবার সেই কামান গর্জন – ভাবের গভীরতা 

খ) কাঁদা কাঁদা মাঠ – পেীন:পুনিকতা 

গ) পিলসুজে বাতি জ্বলে মিটির মিটির – বিশেষণ বোঝাতে 

ঘ) লোকটি হাড়ে হাড়ে বদমাশ – সতর্কতা 

উত্তর : গ 

৩৮) “ বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর “ – এ বাক্যে “ টাপুর টুপুর “ কোন পদ ? 

ক) বিশেষ্য 

খ) অব্যয় 

গ) ক্রিয়া

ঘ) সর্বনাম

উত্তর: খ 

৩৯) কোনটি যুগ্মরীতির দ্বিরূক্ত ? 

ক) গরম গরম 

খ) ঝমঝম 

গ) মিটির মিটির 

ঘ) টুপটাপ 

উত্তর : ঘ 

৪০) কোনটি ভিন্নার্থক শব্দ যোগে দ্বিরুক্ত শব্দ ? 

ক) জন্ম-মৃত্যু 

খ) বন জঙ্গল 

গ) হাতাহাতি 

ঘ) ডালভাত 

উত্তর : ঘ 

৪১) যুগ্মরীতিতে গঠিত দ্বিরুক্ত শব্দের উদাহরণ কোনটি ? 

ক) বাছাবাছা 

খ) জেদাজেদী 

গ) কুহুকুহু 

ঘ) রাশিরাশি 

উত্তর : খ 

৪২) কোন দ্বিরুক্তিটি অন্তস্বরের পরিবর্তন করে গঠিত হয়েছে? 

অথবা, শব্দের অন্তস্বরের পরিবর্তন করে দ্বিরুক্তি গঠিত হয়েছে কোন শব্দে ? 

ক) মারামারি / সরাসরি 

খ) মিটমাট 

গ) ডর-ভয় 

ঘ) জারিজুরি 

উত্তর : ক 

৪৩) শব্দের অন্তস্বরের পরিবর্তন করে দ্বিরুক্ত শব্দ গঠিত হয়েছে কোনটি ? 

ক) নিশপিশ 

খ) জেদাজেদি 

গ) জারিজুরি 

ঘ) চুপচাপ 

উত্তর : খ 

৪৪) দ্বিরুক্তি গঠনের সময় আদিস্বরের পরিবর্তন হয়েছে কোনটিতে ? 

ক) মারামারি 

খ) ছটফট 

গ) চুপচাপ 

ঘ) চাল-চলন 

উত্তর : গ 

৪৫) “ ডাল ভাত “ কেমন অর্থের শব্দ যোগে দ্বিরুক্ত হয়েছে ? 

অথবা, “ ডাল ভাত “ – কোন অর্থে দ্বিরুক্ত ? 

ক) সমার্থক

খ)   মিলনার্থক 

গ) বিপরীতার্থক 

ঘ) ভিন্নার্থক 

উত্তর : ঘ 

৪৬) যুগ্মরীতিতে দ্বিরুক্ত গঠনের ক্ষেত্রে শব্দের আদিস্বর পরিবর্তন হয়েছে কোন গুলোতে ? 

ক) ডালভাত, তালাচাবি , অলিগলি 

খ) চুপচাপ , মিটমাট , জারিজুরি 

গ) মারামারি , হাতাহাতি , সরাসরি 

ঘ) চালচলন, রীতিনীতি, বন জঙ্গল 

উত্তর : খ 

৪৭) দ্বিতীয়বার ব্যবহারের সময় ব্যঞ্জন ধ্বনির পরিবর্তন দ্বারা কোন শব্দটি গঠিত হয়েছে ? 

ক) ছটফট 

খ) ফিটফাট 

গ) সরাসরি 

ঘ) খটাখট 

উত্তর : ক 

৪৮) বিভক্তিযুক্ত পদের দুবার ব্যবহার কে বলা হয়- 

ক) ধ্বন্যাত্মক দ্বিরূক্ত 

খ) অনুকার দ্বিরুক্ত 

গ) পদাত্মক দ্বিরুক্ত 

ঘ) বাক্যের দ্বিরুক্ত 

উত্তর : গ 

৪৯) ভিন্নার্থক শব্দ যোগে কোন দ্বিরুক্ত শব্দটি গঠিত হয়েছে ? 

ক) চাল-চলন 

খ) ছটফট 

গ) বন জঙ্গল 

ঘ) কোনোটিই নয় 

উত্তর :ঘ 

৫০) যুগ্মরীতিতে দ্বিরুক্ত পদ গঠিত হয়েছে কোনটিতে ? 

ক) হাতে-হাতে 

খ) ভয়ে ভয়ে 

গ) রীতি-নীতি 

ঘ) চাল-চলন 

উত্তর : গ 

৫১) কোনটি পদাত্মক দ্বিরুক্তর উদাহরন ? 

ক) দিন দিন 

খ) রোজ রোজ 

গ) হাতে হাতে 

ঘ) শুনশান 

উত্তর : গ 

৫২) “ ডেকে ডেকে হয়রান হয়েছি  “ – কোন পদের দ্বিরুক্তি ? 

ক) হেসে হেসে 

খ) কাকে কাকে 

গ) ভাইয়ে ভাইয়ে 

ঘ) ভালোয় ভালোয় 

উত্তর : গ 

৫৩) বিশিষ্টার্থক  বাগধারার দ্বিরুক্ত শব্দের ব্যবহার হয়েছে কোন বাক্যে ? 

ক) ভয়ে গা ছমছম করছে 

খ) মেয়েটিকে চোখে চোখে রেখো 

গ) ভালো ভালো আম এনো 

ঘ) বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর 

উত্তর : খ 

৫৪) “ লোকটা হারে হারে বদমাশ “ – এখানে “ হাড়ে হাড়ে “ দ্বিরুক্ত শব্দটি কি অর্থ প্রকাশ করেছে ? 

অথবা , “ লোকটা হাড়ে হাড়ে শয়তান “ – কী অর্থে বাক্যটিতে দ্বিরুক্ত শব্দের প্রয়োগ রয়েছে ? 

ক) ভাবের প্রগাঢ়তা 

খ) আধিক্য 

গ) কালের বিস্তার 

ঘ) সতর্কতা

উত্তর : খ 

৫৫) কোন দ্বিরুক্তিটিতে আধিক্য বোঝায় ? 

ক) ছেলেটিকে চোখে চোখে রেখো 

খ) থেকে থেকে শিশুটি কাঁদছে 

গ) লোকটি হাড়ে হাড়ে শিক্ষা পেয়েছে 

ঘ) কোনোটিই নয় 

উত্তর : গ 

৫৬) দুটি বস্তুর ধ্বনির অনুকার ? 

অথবা, ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি কোনটি ? 

ক) ঠা ঠা 

খ) ট্যা ট্যা 

গ) হু হু 

ঘ) হি হি 

উত্তর : গ 

৫৭) কোন দ্বিরুক্তিটি ধ্বনাত্মক 

ক) শন্ শন্ / মিউমিউ 

খ) শীতশীত 

গ) পড়োপড়ো 

ঘ) হাতে-নাতে 

উত্তর : ক 

৫৮) নিচের কোনটি ধ্বনাত্মক দ্বিরুক্তি শব্দ ? 

ক)  ঝনঝন / ঘেউ ঘেউ 

খ) চুপচাপ 

গ) ধীরে ধীরে 

ঘ) হাতে-নাতে 

উত্তর : ক 

৫৯) কোনটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি শব্দ ? 

ক) ঝিকিমিকি 

খ) মারামারি 

গ) ছটফট 

ঘ) চালচলন 

উত্তর : ক 

৬০) কোনটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি শব্দ ? 

ক) হাটে হাটে 

খ) টপাটপ 

গ) উড়ু উড়ু 

ঘ) বার বার  

উত্তর : খ 

৬১) কোনটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি শব্দ ? 

ক) খেলাধুলা 

খ) রাশি রাশি 

গ) নরম নরম 

ঘ) হাপুস হুপুস 

উত্তর : ঘ 

৬২) “ চিকচিক করে বালি কোথা নাই কাদা “ – এখানে দ্বিরুক্ত শব্দটি কোন পদ রূপে ব্যবহৃত হয়েছে ? 

অথবা , চিকচিক করে বালি কোথা নাই কাদা –  এ বাক্যের দ্বিরুক্ত শব্দ “  চিক চিক “  কোন ধরনের পদ ? 

ক) বিশেষ্যের বিশেষণ 

খ) অব্যয় এর বিশেষণ 

গ) বিশেষণের বিশেষণ 

ঘ) ক্রিয়া বিশেষণ 

উত্তর : ঘ 

৬৩) “ কলকলিয়ে উঠল সেখায় নারীর প্রতিবাদ “ – এখানে  ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তটি  কোন পদ রূপে ব্যবহৃত হয়েছে ? 

ক) বিশেষ্য

খ)  বিশেষণ 

গ)  ক্রিয়া 

ঘ)  ক্রিয়া বিশেষণ

উত্তর: গ  

Post Author: showrob

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

56 ÷ = 28