বাংলা ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয়

ব্যাকরন ( =বি+আ+কৃ+অন ) শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থ বিশেষভাবে বিশ্লেষণ । 

সংজ্ঞা : 

যে শাস্ত্রে কোন ভাষার বিভিন্ন উপাদানের প্রকৃতি ও স্বরূপের বিচার-বিশ্লেষণ করা হয় এবং বিভিন্ন উপাদানের সম্পর্ক নির্ণয় ও প্রয়োগবিধি বিশদভাবে আলোচিত হয় , তাকে ব্যকারন বলে । 

ব্যাকরণ পাঠের প্রয়োজনীয়তা : 

ব্যাকরণ পাঠ করে ভাষার বিভিন্ন উপাদানের গঠন প্রকৃতি ও সেসবের সুষ্ঠু ব্যবহার বিধি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা যায় এবং লেখায় ও কথায় ভাষা প্রয়োগের সময় শুদ্ধাশুদ্ধি নির্ধারণ করা সহজ হয় । 

বাংলা ব্যাকরন : 

যে শাস্ত্রে বাংলা ভাষার বিভিন্ন উপাদানের গঠন প্রকৃতি ও স্বরূপ বিশ্লেষিত হয় এবং এদের সম্পর্ক ও সুষ্ঠু প্রয়োগ বিধি আলোচিত হয় , তাই বাংলা ব্যাকরণ । 

বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় : 

প্রত্যেক ভাষারই চারটি মৌলিক অংশ থাকে : যেমন : – 

১) ধ্বনী ( Sound ) 

২) শব্দ ( Word ) 

৩)  বাক্য ( Sentence ) 

৪)  অর্থ ( Meaning ) 

সব ভাষার ব্যাকরণ এই প্রধানত নিম্নলিখিত চারটি বিষয়ে আলোচনা করা হয় : – 

১) ধ্বনিতত্ত্ব ( Phonology ) 

২) শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব  ( Morphology ) 

৩) বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম  ( Syntax ) 

৪) অর্থতত্ত্ব ( Semantics ) 

এছাড়া অভিধানতত্ত্ব ( Lexicography ) ছন্দ ও অলংকার প্রভৃতি ও ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় । 

১) ধ্বনিতত্ত্ব : 

ধ্বনি: 

মানুষের বাক প্রতঙ্গ অর্থাৎ কণ্ঠনালী , মুখবিবর , জিহ্বা, আলা-জিব্বা , কোমল তালু , শক্ত তালু , দাঁত , মাড়ি,  চোয়াল, ঠোঁট ইত্যাদির সাহায্যে উচ্চারিত আওয়াজকে ধ্বনি বলা হয় । বাক প্রতঙ্গজাত ধ্বনির সূক্ষ্মতম মৌলিক অংশ বা একককে ( Unit ) ধ্বনিমূল ( Phoneme )  বলা হয় । 

বর্ন : 

বাক প্রতঙ্গজাত প্রত্যেকটি ধ্বনি এককের প্রত্যেক ভাষারই লেখার সময় এক একটি প্রতীক বা চিহ্ন ( Symbol ) ব্যবহার হয় । বাংলায় এ প্রতীক বা চিহ্ন কে বলা হয় বর্ণ ( Letter ) । যেমন : বাংলায় “বক” কথাটির প্রথম দুইটিতে প্রতীক রূপে ব্যবহার করা হয়েছে “ ব “ ইংরেজিতে সে ধ্বনির জন্য ব্যবহৃত হয়  B ( বি ) ; আবার , আরবি-ফারসি উর্দুতে একই ধ্বনির জন্য ব্যবহার হয় ( বে ) । 

ধ্বনির উচ্চারণপ্রণালী , উচ্চারণের স্থান ,ধ্বনির প্রতীক বা বর্ণের বিন্যাস , ধ্বনিসংযোগ বা সন্ধি , ধ্বনির পরিবর্তন ও লোপ , ণত্ব ও ষত্ব বিধান ইত্যাদি বাংলা ব্যাকরণ এ ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় । 

২) রূপ তত্ত্ব : 

এক বা একাধিক ধ্বনির অর্থবোধক সম্মলনে শব্দ তৈরি হয় , শব্দের ক্ষুদ্রাংশকে বলা হয় রূপ ( morpheme ) । রূপ গঠন করে শব্দ ।  সেইজন্য শব্দতত্ত্বকে রূপতত্ত্ব ( Morphology ) বলা হয় । 

৩) বাক্যতত্ত্ব:- 

মানুষের বাকপ্রতঙ্গ ধ্বনি সমন্বয়ে গঠিত শব্দসহযোগে সৃষ্ট সৃষ্ট অর্থবোধক বাক প্রবাহের বিশেষ বিশেষ অংশকে বলা হয় বাক্য ( Sentence )  । বাক্যের এর সঠিক গঠন প্রণালী , বিভিন্ন উপাদানের সংযোজন, বিয়োজন এদের সার্থক ব্যবহারযোগ্যতা , বাক্যমধ্যে শব্দ বা পদের স্থান বা ক্রম, পদের রূপ পরিবর্তন ইত্যাদি বিষয় বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয় । বাক্যের মধ্যে কোন পদের পর কোন পদ বসে  , কোন পদের স্থান কোথায়  বাক্যতত্ত্বে এসব এর পূর্ণ বিশ্লেষণ থাকে । বাক্যতত্ত্বকে পদক্রম বলা হয় । 

৪) অর্থতত্ত্ব : 

শব্দের অর্থ বিচার , বাক্যের অর্থ বিচার , অর্থের বিভিন্ন প্রকারভেদ , যেমন : – মুখ্যার্থ , গেীনার্থ , বিপরীতার্থ ইত্যাদি অর্থতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় । 

বাংলা ব্যাকরণ এর আলোচনায় ব্যবহৃত কতিপয় পারিভাষিক শব্দ  : 

বাংলা ব্যাকরণ এর আলোচনার জন্য পণ্ডিতেরা কতিপয় পারিভাষিক শব্দ ব্যবহার করেছেন। এ ধরনের প্রয়োজনীয় কিছু পারিভাষিক শব্দের পরিচয় প্রদান করা হলো:  – 

প্রাতিপদিক : বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপাদিক বলে । যেমন : – হাত, বই , কলম ইত্যাদি।  

সাধিত শব্দ : মৌলিক শব্দ ব্যতীত অন্য সব শব্দকে সাধিত শব্দ বলে । যথা : – হাতা, গরমিল, দম্পতি ইত্যাদি । 

সাধিত শব্দ দুই প্রকার : নাম শব্দ ও ক্রিয়া । প্রত্যেকটি সাধিত শব্দ বা নাম শব্দের ও ক্রিয়ার দুই অংশ থাকে । 

প্রকৃতি ও প্রত্যয় : 

প্রকৃতি : যে শব্দকে বা কোন শব্দের যে অংশকে আর কোন ক্ষুদ্রতম অংশে ভাগ করা যায় না , তাকে প্রকৃতি বলে । 

প্রকৃতি 2 প্রকার : ১) নাম প্রকৃতি ও ২) ক্রিয়া প্রকৃতি বা ধাতু । 

নাম প্রকৃতি : 

হাতল , ফুলেল , মুখর – এ শব্দগুলো বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই – হাত+ল= হাতল ( বাঁট ), ফুল+এল= ফুলেল ( ফুলজাত ) এবং মুখ +র= মুখর ( বাচাল ) । এখানে হাত, ফুল ও মুখ শব্দ গুলোকে বলা হয় প্রকৃতি বা মূল অংশ । এগুলোর নাম প্রকৃতি   । 

ক্রিয়া প্রকৃতি : 

আবার চলন্ত,  জমা ও  লিখিত – এ শব্দগুলো বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই – চল্+অন্ত = চলন্ত ( চলমান ) , জম্+ আ= জমা ( সঞ্চিত )   , লিখ্ +ইত = লিখিত ( যা লেখা হয়েছে ) । এখানে  চল্, জম্ ও লিখ্ – এ তিনটি ক্রিয়ামূল বা ক্রিয়ার মূল অংশ । এগুলোকে বলা হয় ক্রিয়া প্রকৃতি বা ধাতু ।

প্রত্যয়:  শব্দ গঠনের উদ্দেশ্য শব্দ বা নাম প্রকৃতির এবং কিয়া প্রকৃতির পরে যে শব্দাংশ যুক্ত হয় তাকে বলে । কয়েকটি শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় বিশ্লেষণ করলে দেখানো হলো । 

নাম প্রকৃতি       প্রত্যয়       প্রত্যয়ান্ত শব্দ 

হাত                  +ল            হাতল 

ফুল                  +এল         ফুলেল

মুখ                   +র             ‍মুখর 

ক্রিয়া প্রকৃতি     প্রত্যয়       প্রত্যয়ান্ত শব্দ 

চল্                 + অন্ত         চলন্ত 

জম্                +আ            জমা 

বাংলা শব্দ গঠনের দুই প্রকার প্রত্যয় পাওয়া যায় : 

১) তদ্ধিত প্রত্যয় ও 

২) কৃৎ প্রত্যয় 

১) তদ্ধিত প্রত্যয় : 

শব্দমূল বা নাম শব্দের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে , তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে । 

যেমন : – হাতল , ফুলেল ও মুখর শব্দের যথাক্রমে ল , এল এবং র তদ্ধিত প্রত্যয়। 

২) কৃৎ প্রত্যয় : 

ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে , তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে । 

যেমন: চলন্ত , জমা ও লিখিত শব্দের যথাক্রমে অন্ত , আ এবং ইত কৃৎ প্রত্যয় । 

তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ কে বলা হয়  তদ্ধিতান্ত শব্দ এবং কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দকে বলা ‍কৃদন্ত শব্দ । 

যেমন: হাতল , ফুলেল ও মুখর তদ্ধিতান্ত শব্দ  এবং  চলন্ত ,  জমা ও লিখিত কৃদন্ত শব্দ । 

উপসর্গ:  শব্দ বা ধাতুর পূর্বে সুনির্দিষ্ট অব্যয় জাতীয় শব্দ যুক্ত হয়ে সাধিত শব্দের অর্থের পরিবর্তন, সম্প্রসারণ ও  সংকোচন ঘটিয়ে থাকে । এগুলোকে বলা হয় উপসর্গ । 

বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোর নিজস্ব কোন অর্থ না থাকলেও শব্দ বা ধাতুর পূর্বে ব্যবহৃত হলেই অর্থবাচকতা সূচিত হয় । যেমন:  যেমন “ পরা “ একটি উপসর্গ , এর নিজস্ব কোন অর্থ নেই । কিন্তু “ জয় “ শব্দের পূর্বে যুক্ত হলে হয় “ পরাজয় “ । এটি জয়ের  বিপরীত । সেই রূপ  “ দর্শন “ অর্থ দেখা । এর আগে “ প্র “ উপসর্গ যুক্ত হলে হয় “ প্রদর্শন “ অর্থাৎ  সম্যকরূপে দর্শন বা বিশেষভাবে দেখা । 

বাংলা ভাষায় তিন ধরনের উপসর্গ দেখা যায় : – 

১) সংস্কৃত 

২) বাংলা 

৩) বিদেশি উপসর্গ । 

১) সংস্কৃত  উপসর্গ :  প্র , পরা , অপ – এরূপ ২০ টি সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ রয়েছে । 

তৎসম উপসর্গ তৎসম শব্দ বা ধাতুর পূর্বে ব্যবহৃত হয় । যেমন  : “পূর্ন “ একটি তৎসম শব্দ । “ পরি “ উপসর্গ যোগে হয় “ পরিপূর্ণ  “  । 

২) বাংলা উপসর্গ  :  অ, অনা , অঘা , অজ , আ, আব ,নি , ইত্যাদি অব্যয় জাতীয় শব্দাংশ বাংলা উপসর্গ। খাঁটি বাংলা শব্দের আগে এগুলো যুক্ত হয় । যেমন:- অ+কাজ=অকাজ , অনা+ছিষ্টি = অনাছিষ্টি ইত্যাদি । 

৩) বিদেশি উপসর্গ  : কিছু বিদেশি শব্দ বা শব্দাংশ বাংলা উপসর্গ রূপে ব্যবহৃত হয় অর্থের বৈচিত্র সৃষ্টি করে । বিদেশি উপসর্গ বিদেশি শব্দের সঙ্গেই ব্যবহৃত হয় । যেমন: – বেহেড , লাপাত্তা , গরহাজির ইত্যাদি । 

অনুসর্গ : 

বাংলায় ভাষায় দ্বারাবাংলা, দিয়া , কর্তৃক , চেয়ে , থেকে , উপরে , পরে , প্রতি , মাঝে , বই , ব্যতীত , অবধি , হেতু , জন্য , কারন , মতো , তবে ইত্যাদি শব্দ কখনো অন্য শব্দের সঙ্গে যুক্ত না হয়ে স্বাধীনভাবে পদরূপে বাক্যে ব্যবহৃত হয় ; আবার কখনো কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় অন্য শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অর্থবৈচিত্র গুটিয়ে থাকে । এগুলোকে অনুস্বর্গ বলে । যেমন : কেবল আমার জন্য তোমারে দুর্ভাগ্য । মনোযোগ দিয়ে শোনো । শেষ পর্যন্ত সবার কাজে আসবে । 

১) ( পর্তুগিজ ভাষায় ) বাংলা ব্যাকরণ প্রথম রচনা করেন কে ? 

ক) উইলিয়াম কেরি 

খ) ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ 

গ) ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় 

ঘ) মনুয়েল দ্য আসসুম্প সাঁও 

উত্তর : ঘ 

২) ( ইংরেজি ভাষায় ) বাংলা ব্যাকরণ প্রথম রচনা করেন কে ? 

ক) ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় 

খ) মি . এন .বি.হ্যালহেড 

গ) উইলিয়াম কেরী 

ঘ) ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ 

উত্তর : খ 

৩) ( বাংলা ভাষায় ) বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ প্রথম কোন বাঙালি রচনা করেন ? 

ক) রাধা রাম বসু 

খ) রামনারায়ন তর্করত্ন 

গ) ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 

ঘ) রাজা রামমোহন রায় 

উত্তর : ঘ 

৪) রাজা রামমোহন রায়ের রচিত বাংলা ব্যাকরণের নাম কি ? 

ক) গেীড়ীয় ব্যাকরন 

খ) মাগধীয় ব্যাকরন 

গ) মাতৃভাষার ব্যাকরণ 

ঘ) ভাষা ও ব্যাকরন 

উত্তর : ক 

৫) ব্যাকরণের কাজ কি ? 

ক) ভালো বক্তা তৈরি করা 

খ) ভালো অভিনেতা তৈরি করা 

গ) দ্রুত লেখা শেখানো 

ঘ) ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা আবিষ্কার করা]

উত্তর : ঘ 

৬) “ ব্যাকরন “ শব্দের সঠিক অর্থ কোনটি ? 

অথবা , ব্যাকরণ শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ কি ? 

ক) বিশেষভাবে বিভাজন 

খ) বিশেষভাবে বিশ্লেষণ 

গ) বিশেষভাবে বিয়োজন 

ঘ) বিশেষভাবে সংযোজন 

উত্তর : খ 

৭) কি কারণে ব্যাকরণ পাঠের প্রয়োজন ? 

ক) ভাষা শিক্ষার জন্য 

খ)  বাসার শুদ্ধাশুদ্ধি  নির্ণয়ের জন্য 

গ) ভাষা বিষয়ে জ্ঞান দানের জন্য 

ঘ) ভাষার বিকাশের জন্য 

উত্তর : খ 

৮) বাংলা ব্যাকরণের প্রধান আলোচ্য বিষয় কয়টি ? 

অথবা , সব ভাষার এই ব্যাকরণ এ প্রধানত কয়টি বিষয়ে আলোচনা করা হয় ? 

ক) ‍২টি 

খ) ৩টি 

গ) ৪টি 

ঘ) ৫টি 

উত্তর : ৪টি 

৯) আলোচনার বিষয়বস্তু অনুসারে বাংলা ব্যাকরণ কে কয়টি অংশে বিভক্ত করা হয়েছে ? 

ক) ‍২টি 

খ) ৩টি 

গ) ৪টি 

ঘ) ৫টি 

উত্তর : ৪টি 

১০) প্রত্যেক ভাষারই চারটি মৌলিক অংশ থাকে । অংশগুলো কি কি ? 

ক) ধ্বনি, শব্দ , বাক্য, অর্থ 

খ) শব্দ, সন্ধি, সমাস, ধ্বনি 

গ) অনুসর্গ , উপসর্গ , শব্দ , সন্ধি 

ঘ) ধ্বনি , শব্দ , বর্ন, বাক্য 

উত্তর : ক 

১১) ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় চারটি কি কি ? 

ক) ধ্বনিতত্ত্ব , রুপ তত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম , অর্থতত্ত্ব 

খ) ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দতত্ত্ব, ভাষাতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব 

গ) রুপ তত্ত্ব,পদক্রম,  ভাষাতত্ত্ব,  শব্দতত্ত্ব 

ঘ) বাক্যতত্ত্ব, , ভাষাতত্ত্ব, ধ্বনিতত্ত্ব,  শব্দতত্ত্ব 

উত্তর: ক 

১২) কোন বিষয়ে ব্যাকরণের আনুষঙ্গিক আলোচ্য বিষয়? 

ক) ধ্বনি 

খ) কারক 

গ) ছন্দ 

ঘ) বাক্য 

১৩) ভাষাকে রূপদান করতে কিসের সাহায্য নিতে হয়? 

ক) বাগধারার 

খ) অঙ্গ পতঙ্গের 

গ) বাগযন্ত্রের

ঘ) চক্ষু ও কর্ণের

উত্তর: গ 

১৪) সন্ধি ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়? 

ক) রুপতত্ত্ব 

খ) ধ্বনিতত্ত্ব 

গ) ভাষাতত্ত্ব 

ঘ) বাক্য প্রকরণ 

উত্তর : খ 

১৫) ণত্ব ও ষত্ব বিধান বাংলা ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয় ? 

ক) রুপ তত্ত্ব 

খ) ধ্বনিতত্ত্ব 

গ) ভাষাতত্ত্ব 

ঘ) বাক্যতত্ত্ব 

উত্তর: খ 

১৬) সন্ধি,  ণত্ব ও ষত্ব বিধান,  বর্ণবিন্যাস ইত্যাদি কিসের আলোচ্য বিষয় ? 

ক)  বাক্যতত্ত্ব 

খ) অর্থতত্ত্ব 

গ) ধ্বনিতত্ত্ব 

ঘ) রুপতত্ত্ব 

উত্তর: গ 

১৭) ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় কি কি ? 

ক) সন্ধি,  ণত্ব ও ষত্ব বিধান 

খ)  শব্দ,পদ, লিঙ্গ,বচন, কারক, সমাস, প্রত্যয়

গ) বাক্য প্রকরণ,  বাচ্য ,  বাগধারা ইত্যাদি 

ঘ) উপরের সবকয়টি 

উত্তর : ক

১৮) বাংলা ব্যাকরণের কোন অংশে বর্ণের বিন্যাস আলোচিত হয়? 

ক) বাক্যতত্ত্বে 

খ) ধ্বনিতত্ত্বে 

গ) শব্দতত্ত্বে 

ঘ) রূপতত্ত্বে 

উত্তর : খ 

১৯) কেন বিষয়টি ধ্বনিতত্ত্বে আলোচিত হয় ? 

ক) বাগধারা 

খ) সমাস 

গ) কারক 

ঘ) সন্ধি 

উত্তর: ঘ 

২০) বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক কি ? 

অথবা, বাক্যের অপরিহার্য অঙ্গ কোনটি ? 

অথবা, বাক্যের মৌলিক উপাদান কোনটি ? 

ক) শব্দ 

খ) বর্ন 

গ) ধ্বনি 

ঘ) চিহ্ন 

উত্তর : ক 

২১) বচন, লিঙ্গ , কারক ,সমাস ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয় ? 

অথবা, বচন ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয় ? 

অথবা , বচন ও লিঙ্গ ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয় ? 

ক) ধ্বনিতত্ত্ব 

খ) ভাষাতত্ত্ব 

গ) রুপতত্ত্ব 

ঘ) বাক্যতত্ত্ব 

উত্তর: গ 

২২) ক্রিয়ার কাল ও পুরুষ ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয় ? 

ক) অর্থতত্ত্বের 

খ) রূপতত্ত্বের 

গ) বাক্যতত্ত্বের 

ঘ) ধ্বনিতত্ত্বের 

উত্তর : খ 

২৩) প্রত্যয় ও সমাজ ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত বিষয় ? 

অথবা, সমাস ব্যাকরণের কোন তত্ত্বের আলোচ্য বিষয় ? 

ক) বাক্যতত্ত্বে 

খ) ধ্বনিতত্ত্বে 

গ) শব্দতত্ত্বে 

ঘ) ভাষাতত্ত্বে 

উত্তর : গ 

২৪) ব্যাকরণের রূপতত্ত্ব অংশে আলোচিত হয় – 

ক) বাক্য, বাক্য প্রকরণ, বাগধারা  ইত্যাদি 

খ) বর্ন, সন্ধি, ণত্ব বিধান, ষত্ব বিধান  ইত্যাদি 

গ) শব্দ প্রকরণ, পদ  প্রকরন , লিঙ্গ, বচন , শব্দরূপ , ক্রিয়ার কাল, পুরুষ, ধাতুরূপ, পদ পরিবর্তন 

ঘ) ওপরের কোনোটিই নয় 

উত্তর : গ 

২৫) রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় নয় কোনটি ? 

ক) সন্ধি / ণত্ব বিধান 

খ) প্রত্যয় 

গ) সমাস 

ঘ) কারক 

উত্তর : ক 

২৬) “ ধাতুরূপ “ ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয় ? 

ক) ধ্বনিতত্ত্ব 

খ) রুপ তত্ত্ব 

গ) বাক্যতত্ত্ব 

ঘ) ছন্দতত্ত্ব 

উত্তর : খ 

২৭) রূপতত্ত্বের অপর নাম কি ? 

ক) বাক্যতত্ত্ব 

খ) শব্দতত্ত্ব 

গ) ধ্বনিতত্ত্ব 

ঘ) পদক্রম 

উত্তর : খ 

২৮) “ পদ প্রকরণ “  ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয় ? 

ক) রূপতত্ত্বের 

খ) ধ্বনিতত্ত্বের 

গ) বাক্যতত্ত্বের 

ঘ) অর্থতত্ত্বের 

উত্তর : ক 

২৯) বাক্যতত্ত্বের অপর নাম কি ? 

ক) ভাষা 

খ) প্রাতিপদিক 

গ) পদক্রম 

ঘ) সাধিত শব্দ 

উত্তর : গ 

৩০) বিভক্তিহীন নাম শব্দকে কি বলা হয় ? 

ক) আনুপাতিক 

খ) আনুষঙ্গিক 

গ) প্রাতিপদিক 

ঘ) প্রত্যয়ান্তিক 

উত্তর : গ 

৩১) শব্দমূল কোনটি ? 

ক) নাম প্রকৃতি 

খ) প্রত্যয় 

গ) বিভক্তি 

ঘ) ক্রিয়া বিভক্তি 

উত্তর : ক 

Post Author: showrob

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

× 2 = 8