লাহোর প্রস্তাব ১৯৪০

লাহোর প্রস্তাবের পটভূমি : 

১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে শুধুমাত্র প্রাদেশিক শাসন সংশ্লিষ্ট ধারাগুলি কার্যকর হয় । এ আইনের ভিত্তিতে ১৯৩৭ সালে প্রদেশের আইনসভা গুলোতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় । নির্বাচনে ভারতের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল “ কংগ্রেস” ও “ মুসলিম লীগ “ অংশগ্রহণ করে।  মুসলিম লীগ মুসলমানদের প্রতিনিধিত্বের দাবি নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে । কিন্তু নির্বাচনে মুসলিম লীগ আশানুরূপ সাফল্য অর্জন করতে পারেনি । কংগ্রেস নির্বাচনে ৫টি প্রদেশে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে এবং অন্য ২টি প্রদেশে একক বৃহত্তম দল হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করে। তবে বাংলা , পাঞ্জাব ও সিন্ধু প্রদেশে  কংগ্রেস পরাজিত হয় । 

নির্বাচনে জয়লাভের পর গভর্নর-জেনারেল কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশগুলোতে সরকার গঠনের জন্য কংগ্রেসকে আমন্ত্রণ জানায় ।  কিন্তু কংগ্রেস দাবি জানায় যে , মন্ত্রীদের কাজে গভর্নর অযথা হস্তক্ষেপ করবে না এই প্রতিশ্রুতি না পেলে তারা মন্ত্রিসভা গঠন করতে রাজি নয় । গভর্নর জেনারেল লর্ড লিনলিথগো ১৯৩৭ সালের ২২ জুন কংগ্রেসের দাবি মেনে নিলে কংগ্রেস হাইকমান্ডের নির্দেশে ঐ সব প্রদেশের সরকার গঠন করে । ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের অধীন জারিকৃত নির্দেশ নামা মোতাবেক মুসলিম লীগ কংগ্রেসের কাছে যৌথ মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তাব রাখে । কংগ্রেস মুসলিম লীগের এ প্রস্তাব প্রত্যাখান করে । 

১৯৩৭ সালে নির্বাচনী সাফল্য অনুপ্রাণিত হয়ে কংগ্রেস মুসলমানদের কংগ্রেসে পতাকাতলে আনার জন্য গণসংযোগ অভিযান শুরু করে । কংগ্রেস মুসলমানদের এ কথা বুঝাতে সক্ষম হয়েছে , কংগ্রেস মূলত অসাম্প্রদায়িক প্রতিষ্ঠান এবং নির্বাচনে কংগ্রেসের বিজয়ের ফলে মুসলমানদের কোন ক্ষতি হবে না ।কংগ্রেস প্রচার করে যে , অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রামে প্রকৃত সংগ্রাম- কংগ্রেসের এ প্রচার অভিযানের ফলে মুসলিম লীগ নেতৃবৃন্দ হয়ে পড়েন । 

লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর এই সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য সুচিন্তিত পদক্ষেপ নেন । মুসলিম জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তির অবসান এবং লীগকে চাঙ্গা ও অধিক জনপ্রিয় করার জন্য তিনি ও গণসংযোগ অভিযানে অবতীর্ণ হন এবং বিভিন্ন পর্যায়ে কমিটি গঠন করে , বোর্ড স্থাপন করে,  দলের সদস্য ভক্তি চাঁদা কমিয়ে মুসলিম লীগকে শক্তিশালী ও জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেন । ১৯৩৭ সালে লক্ষ্নেীতে মুসলিম লীগের যে অধিবেশনে আরম্ভ হয় সেখানে জিন্নাহ ঘোষণা করেন যে , “ On the very threshold of what little power and responsibility is given, the majority community have clearly shown that Hindustan is for the Hindus. The Muslim can epect neither justice nor fairplay under a Congress Government .” 

সম্মেলনে জিন্নাহ মুসলমানদের মুসলিম লীগের পতাকাতলে সমবেত হওয়ার আহ্বান জানান । জিন্নাহর এ প্রচেষ্টা সফল হয়। জিন্নাহর বক্তকতার দিনেই পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী স্যার সেকেন্দার হায়াত খান পাঞ্জাবের ইউনিয়নিস্ট পার্টির মুসলিম সদস্যদের নিয়ে মুসলিম লীগে যোগদান করেন । বাংলার প্রধানমন্ত্রী এ.কে ফজলুল হক ও জিন্নাহর প্রভাবে  দলবলসহ মুসলিম লীগে যোগদান করেন । এভাবে হঠাৎ করে মুসলিম লীগ নতুন ক্ষমতা ও মর্যাদা অর্জন করে যা পূর্বে কখনো ভোগ করেনি । জিন্নাহ ব্রিটিশ ভারতের মুসলমানদের নেতায় পরিণত হয় । ১৯৩৭ সাল হতে ১৯৪২ সাল পর্যন্ত ৬১ টি মুসলিম আসনের উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় সে নির্বাচনে মুসলিম লীগ ৪৭ টি আসনে , ১০টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং ৪ টিতে কংগ্রেস জয়লাভ করে । এরপর হতে সমগ্র ভারতে মুসলমানদের প্রতিনিধিত্বমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে মুসলিম লীগের দাবি প্রতিষ্ঠিত হয় । 

১৯৩৭ সাল পর্যন্ত মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯৩৫ সালের আইন অনুযায়ী পদে দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা এবং কেন্দ্রে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের পক্ষপাতী ছিলেন । কিন্তু দু’বছরের ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের কংগ্রেস শাসনের অভিজ্ঞতা লাভ করে তিনি তার মত পরিবর্তন করেন এবং ১৯৩৯ সালের আগস্ট মাসেই যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থার বিধানকে চূড়ান্তভাবে বাতিল ঘোষণা করেন এ যুক্তিতে যে , কেন্দ্রে দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠিত হলেও তাতে মুসলমানদের কোনো লাভ হবে না । কারণ নিখিল ভারত যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় মুসলমানগন স্থায়ী সংখ্যালঘুতে পরিণত হবে । ১৯৩৯ সালে মুসলিম লীগ গঠিত করে তাই জিন্নাহ সাহেব ঘোষণা করেন যে , “ না- ভারতে তৃতীয় আরেকটি ও দল আছে । এটি মুসলিম লীগ – মুসলমানদের দল । তারা একটি স্বতন্ত্র জাতি ।” এর ফলে স্বতন্ত্র জাতি হিসেবে মুসলমানদের স্বাধীন আবাসভূমি স্থাপনের চিন্তাধারা শুরু হয়।  অবশ্যই ভারত উপমহাদেশে একটি স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার ইচ্ছাও বহু পূর্ব হতেই আল্লামা ইকবাল , চৌধুরী রহমত আলী ও আলীগড়ের অধ্যাপকবিন্দু পোষণ করে আসছিলেন । ১৯৩০ সালে স্যার মোহাম্মদ ইকবাল এলাহাবাদ অধিবেশনের সভাপতির অভিভাষনে পাঞ্জাব,  উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ , সিন্ধু ও বেলুচিস্থান নিয়ে একটি সার্বভৌম মুসলিম রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব করেছিলেন । একই সময়ে বিলাতে প্রবাসী পাঞ্জাবি ছাত্র চৌধুরী রহমত আলী উত্তর ভারতে মুসলমানদের জন্য স্বতন্ত্র রাষ্ট্র স্থাপনের পরিকল্পনা করেছিলেন । তিনি এ রাষ্ট্রের নাম দেন পাকিস্তান । এ পাকিস্তান-পাঞ্জাব , আফগানিস্তান ,  কাশ্মীর , হিন্দু ও বেলুচিস্তান  নিয়ে গঠিত হবে বলা হয় । 

লাহোর প্রস্তাব : 

১৯৪০ সালের মার্চ মাসে লাহোরে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের ভবিষ্যৎ কর্মসূচির নির্ধারণের জন্য দলীয় অধিবেশন আহ্বান করা হয় । ২৩ মার্চ অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনেই “ লাহোর প্রস্তাব “ বা পাকিস্তান প্রস্তাব গৃহীত হয় । প্রস্তাবে বলা হয় সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের এই অধিবেশনে সুচিন্তিত মত অনুযায়ী সিদ্ধান্ত করা যাচ্ছে যে , কোন শাসনতান্ত্রিক পরিকল্পনা নিম্নে বর্ণিত মূলনীতিগুলোর উপর ভিত্তি করে রচিত না হলে তা দেশে কার্যকর হবে না বা মুসলমানদের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না । যথা- ভৌগলিক সংলঙ্গ প্রদেশগুলোর সীমা নির্ধারণ করে এদেরকে নিয়ে একাধিক অঞ্চল গঠন করতে হবে যাতে উত্তর-পশ্চিম পূর্ব ভারতে অবস্থিত সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান অধ্যুষিত অঞ্চল গুলিকে গোষ্ঠীবদ্ধ করে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করা যায় এবং এই স্বাধীন রাষ্ট্রের প্রদেশগুলি স্বায়ত্তশাসিত ও সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী হয় । 

এ প্রস্তাবে আরও বলা হয় যে , সকল অঙ্গরাজ্য সংখ্যালঘুদের ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ,  অর্থনৈতিক শাসন সংক্রান্ত অধিকার রক্ষার নিমিত্তে ভারতের ভবিষ্যৎ সংবিধানের বিভিন্ন রক্ষাকবচের সুনির্দিষ্ট পন্থা সমূহের উল্লেখ করতে হবে । তাছাড়া , এ প্রস্তাবে আরও বলা হয় যে , ভারতের যেসব অংশে মুসলমানরা সংখ্যালঘু তাদের এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলোর ধর্মীয় , সাংস্কৃতিক,  রাজনৈতিক,  অর্থনৈতিক এবং শাসন সংক্রান্ত যাবতীয় অধিকার সমূহ সংরক্ষণের নির্দিষ্ট ব্যবস্থাসমূহ উল্লেখ শাসনতন্ত্র থাকতে হবে । 

এ ঐতিহাসিক প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন বাংলার কৃতি সন্তান শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক । চৌধুরী খালেকুজ্জামান সহ আরও অনেকেই এ প্রস্তাবটি সমর্থন করেন । এ প্রস্তাবটি বিশ্লেষণ করলে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো প্রতিভাত হয়ে ওঠে । যথা: – 

১) ভৌগলিক অবস্থান অনুযায়ী পাশাপাশি অবস্থিত এলাকা সমূহকে পৃথক অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে । 

২) উত্তর-পশ্চিম এবং পূর্ব ভারতের যেসব এলাকায় মুসলমানগন সংখ্যাগরিষ্ঠ তাদের সমন্বয়ে স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠন করতে হবে । 

৩) এই স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যগুলো সম্পূর্ণরূপে স্বায়ত্তশাসিত হবে । 

৪) সংখ্যালঘুদের অধিকার ও স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য উপযুক্ত শাসনতান্ত্রিক গ্যারান্টি প্রদান করতে হবে । 

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে ,  ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবে ভারতের উত্তর-পশ্চিম এবং পূর্বাঞ্চল এক রাষ্ট্র হবে কিনা একাধিক রাষ্ট্র হবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু উল্লেখ ছিল না । তবে ভাষাগত বিশ্লেষণ অন্য হতে বুঝা যায় যে , লাহোর প্রস্তাবের দুটি স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি করা হয়েছে । একটি উত্তর-পশ্চিম ভারতের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল এবং আরেকটি পূর্ব ভারতের সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল । 

১৯৪৩ সাল পর্যন্ত জিন্না লাহোর প্রস্তাব বলতে একাধিক রাষ্ট্রের কথা উল্লেখ করেছেন।  কিন্তু ১৯৪৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি গান্ধীজীর সাথে পত্রালাপ এ  প্রথম প্রকাশ করেন যে , মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলি নিয়ে একটি মাত্র মুসলিম রাষ্ট্র গঠিত হবে । যাহোক , ১৯৪৬ সালের ৯ এপ্রিল মুসলিম লীগ আইনপ্রণেতাদের সম্মেলনে লাহোর প্রস্তাবকে চূড়ান্তভাবে সংশোধন করে এক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয় । গৃহীত প্রস্তাবে বলা হয়েছে , “ উত্তর-পূর্বে বাংলা ও আসাম এবং উত্তর-পশ্চিমে পাঞ্জাব ,সিন্ধু , উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ ও বেলুচিস্থান নিয়ে যেখানে মুসলমানরা বিপুলভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ সেসব নিয়ে একটি সার্বভৌম স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করতে হবে । 

১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব বৃটিশ ভারতের শাসনতান্ত্রিক অগ্রগতি ও মুসলমানদের ইতিহাস একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর ভারতের ভবিষ্যৎ শাসনতন্ত্রের ব্যাপারে মুসলমানদের চিন্তাধারায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন সূচিত হয় । লাহোর প্রস্তাবে তারা ভারতের মুসলমানদের জন্য স্বতন্ত্র ও স্বাধীন আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন । লাহোর প্রস্তাব পরে পাকিস্তান প্রস্তাব নামে অভিহিত হয় । এ দাবি আদায়ের পথে মুসলমানদের প্রবল বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হতে হয় । ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেন । জহরলাল নেহেরু এ প্রস্তাবকে রাজনৈতিক দিক থেকে অসম্ভব এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে পাগলামি বলে আখ্যায়িত করেন । যাহোক , মুসলিম লীগ দ্রুত লাহোর প্রস্তাবের পক্ষে ভারতীয় মুসলমানদের সমর্থন লাভ করে ভারত বিভাগের মাধ্যমে স্বাধীন সার্বভৌম পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার জন্য দৃঢ় সংকল্প হয় । অবশেষে বহু দ্বন্দ্ব বিরোধ ও আলোচনার মধ্য দিয়ে লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে  ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান অর্জিত হয় । 

লাহোর প্রস্তাব ও বাংলাদেশ : 

১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে স্বাধীন পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটির জন্ম হয় । কিন্তু স্বাধীন পাকিস্তানে অবয়বগত কাঠামোতে লাহোর প্রস্তাবের মূল নীতি লঙ্ঘিত হয়।  ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের লাহোর প্রস্তাবের উল্লখিত প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন এর কথা বেমালুম বিস্মৃত হয় । ফলে পূর্ব পাকিস্তানের । বাঙালি জনগোষ্ঠীর এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মুখর হয়ে ওঠে । এবং পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন দাবি করে । এর প্রতিবাদে  ১৯৫২ সালের নির্বাচন , ১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলন , , ১৯৬৯ সালের ১১ দফা- আন্দোলন এসবই লাহোর প্রস্তাব ভিত্তিক স্বায়ত্বশাসনের দাবীকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হয় । এই স্বায়ত্বশাসনের আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে স্বাধীনতা সংগ্রামের পরিণত হয় । অবশেষে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে  ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালি জাতি মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে । অনেকেই তাই তদানীন্তন লাহোর প্রস্তাবের ভেতর স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের বীজ নিহিত ছিল বলে ধারণা করে থাকেন । 

Post Author: showrob

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

+ 10 = 18